
কলকাতা: কেকেআরের (KKR) বোলারদের কাজ শেষ। এ বার ব্যাট হাতে নাইটদের জ্বলে ওঠার পালা। অরেঞ্জ আর্মির বিরুদ্ধে মিচেল স্টার্ক কেকেআরের শুরুর মঞ্চটা গুছিয়ে দিয়েছিলেন। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। এরপর বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারিন থেকে শুরু করে কেকেআরের বাকি বোলাররা তাঁদের কাজটা ভালো মতোই করেন। যার ফলে আইপিএলের (IPL) হাইভোল্টেজ ম্যাচে হায়দরাবাদ (SRH) আটকে গেল ১৫৯ রানে। ফাইনালের টিকিট পাওয়ার জন্য নাইটদের তুলতে হবে ১৬০ রান।
কেকেআর-হায়দরাবাদ ম্যাচে যে বিষয় নিয়ে না বললেই নয়, তা হল রাহুল ত্রিপাঠীর রান আউট। কেকেআরের প্রাক্তনী হাইভোল্টেজ ম্যাচে অরেঞ্জ আর্মিকে অক্সিজেন দেন। এ বারের আইপিএলে তিনি খেলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর জানান, তাঁর চোটও ছিল। হায়দরাবাদ এইডেন মার্কব়্যামকে খেলাচ্ছিল, কিন্তু লাভ হয়নি। গত ম্যাচে দুর্দান্ত ব্য়াটিং করেন ত্রিপাঠী। কোয়ালিফায়ারের মতো হাইভোল্টেজ ম্যাচেও ভরসা দিলেন। যদি ৫৫ রান করার পর রান আউট না হতেন, তা হলে হায়দরাবাদের স্কোরবোর্ডে ১৫৯ এর
আব্দুল সামাদের ভুলে রান আউট হন রাহুল ত্রিপাঠী। রাহুল বল দেখছিলেন। রাহুল ত্রিপাঠী কল করে চলে গিয়েছিলেন। সামাদ তাঁর ওপর বিশ্বাস না রেখে বল দেখছিলেন বলেই সমস্যা তৈরি হয়। টাইম নষ্ট হয়। মাঝ রাস্তায় গিয়ে থমকে যান রাহুল। আব্দুল সামাদের ভুলই কাজে লাগান আন্দ্রে রাসেল। দুর্দান্ত পিক আপ থ্রো করেন রাসেল। কেকেআরের উইকেটকিপার রহমানউল্লাহ গুরবাজ প্রথমে ভেবেছিলেন নন স্ট্রাইকার এন্ডে বল থ্রো করবেন। কিন্তু যখন দেখেন রাহুল মাঝ পথে দাঁড়িয়ে সঙ্গে সঙ্গে স্টাম্প নাড়িয়ে দেন। যার ফলে রাহুল রান আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন।
১৫তম ওভারে পর পর দুই বলে ২ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। রাহুল রান আউট হওয়ার পরের বলেই সানরাইজার্সের ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার সনবীর সিংকে বোল্ড করেন সুনীল নারিন। শেষ বেলায় হায়দরাবাদের ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্স ২৪ বলে ৩০ রান করেন। হেনরিখ ক্লাসেন ২১ বলে ৩২ রান করেন। রাহুল, ক্লাসেন, কামিন্স ছাড়া আজ দুই অঙ্কের রান করেছেন আব্দুল সামাদ (১৬)।
কেকেআরের বিরুদ্ধে ৩২টি উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। ওই টিমের ক্যাপ্টেন কামিন্স। ফলে কেকেআরের সামনে ১৬০ রানের টার্গেট আছে ঠিকই, কিন্তু তা তোলা সহজ হবে না নাইটদের।