
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং হার্দিক পান্ডিয়া। ২০১৫ সাল থেকে সম্পর্কটা ছিল দুর্দান্ত। ঘরে ফেরাটা কিছুতেই স্বস্তির হচ্ছে না। সমর্থকদের ভালোবাসা পাচ্ছেন না। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে অনেক কাঠখড়ই পোড়াতে হবে। প্রথম দুটি অ্যাওয়ে ম্যাচে হার। ঘরের মাঠে মরসুমের প্রথম ম্যাচে চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল। ওয়াংখেড়েতে মরসুমের প্রথম ম্যাচ। স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শুরু থেকে শেষ অবধি যা হল, কিছুই যেন বুঝে উঠতে পারছেন না হার্দিক।
টসের সময়ই হার্দিককে বিদ্রুপ শুরু হয় গ্যালারি থেকে। মুম্বই অধিনায়ক যেন এর জন্য প্রস্তুত ছিলেন। হতাশ হলেও রিয়্যাক্ট করেননি। জবাবটা পারফরম্যান্সে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচ, সমর্থকদের মন কোনওটাই জেতা হল না। টস হারকে শাপে বর উল্লেখ করেছিলেন হার্দিক। ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং প্যারাডাইসে শুরুতে একটা বড় স্কোর গড়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলাই যেত। সেই লক্ষ্যই ছিল হার্দিকের। কিন্তু ট্রেন্ট বোল্ট, নান্দ্রে বার্গারের প্রথম স্পেলেই স্বপ্নভঙ্গ। রাজস্থানকে মাত্র ১২৬ রানের টার্গেট দেয় মুম্বই।
ম্যাচের পর মুম্বইয়ের সর্বাধিক রান স্কোরার ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়া বলছেন, ‘শুরুটা যে ভাবে করতে চেয়েছিলাম, কিছুই হয়নি। আমাদের জন্য খুবই কঠিন রাত।’ হার্দিক পান্ডিয়া-তিলক ভার্মা জুটি মুম্বই ইনিংসকে ভরসা দিয়েছিল। যদিও প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। হার্দিক বলছেন, ‘আমার মনে হয় ওই সময় ভালো পজিশনেই ছিলাম। অন্তত ১৫০-১৬০ অবধি পৌঁছনোর পরিস্থিতি ছিল। পিচের যেমন ভূমিকা রয়েছে, তেমনই আমার আরও ভালো পারফর্ম করা উচিত ছিল।’
পিচ নিয়ে অবশ্য কোনও অভিযোগ নেই হার্দিকের। বোলারদের জন্য সুবিধা থাকা ইতিবাচক দিকই মনে করছেন মুম্বই ক্যাপ্টেন। তবে পিচ এমন আচরণ করবে, তাতে যে অবাক হয়েছেন, স্বীকার করে নিলেন হার্দিক।