
কলকাতা: সামনেই ফুটবল বিশ্বকাপ (Fifa World Cup)। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত আমেরিকা, কানাডা, মেক্সিকোতে হতে চলেছে বিশ্বকাপের আসর। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, এই বিশ্বকাপের খরচ প্রচুর। যাতায়াতের খরচ, থাকা-খাওয়া, সবকিছুর দাম চরমে। এই কারণে বিভিন্ন দেশের ‘পার্টিসিপেশন ফি’ ইতিমধ্যেই বাড়িয়ে দিয়েছে ফিফা (FIFA) । ভ্যাঙ্কুভারে (Vancouver) ফিফার বৈঠকে পাশ করা হয়েছে সেই প্রস্তাব।
বৈঠকে বিভিন্ন দেশের মত ছিল, যেভাবে জিনিসপত্রের দাম অগ্নিমূল্য, সেভাবে বিশ্বকাপ চললে লাভ নয়, ক্ষতি হবে ফিফার। তাই পুরস্কার অর্থ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। গত বছর মত ৭২৭ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা করেছিল ফিফা। এবার সেই টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ফিফার তরফে। যেহেতু ফিফা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, তাই ইতিমধ্যেই তাদের টিকিট মূল্য বাড়ানো নিয়ে তাদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। ফিফা জানিয়েছিল, যে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হয়েছে, সেটা খেলার স্বার্থেই ব্যবহার হবে। ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনো (Infantino) ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন এই খবর।
এর সঙ্গে আরও বদল ঘটতে চলেছে। ফিফার ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (Development Fund) অর্থও বাড়ানো হচ্ছে। মোট ২১১টি দেশের মধ্যে প্রায় ৩ বিলিয়ন অর্থ বন্টন করার কথা ছিল। কিন্তু এবার সেই অর্থ বাড়ানোর কথা শোনা যাচ্ছে। একটি বিবৃতি দিয়ে ফিফা জানিয়েছে, ফিফা কাউন্সিল বৈঠকে (Fifa Council Meet) আমরা ঠিক করে রেখেছিলাম যে এই অর্থের ভাগ বাড়ানো হবে। এর মধ্যেই বাড়ছে পুরস্কার অর্থ ও ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের অর্থ। ২০২৬ বিশ্বকাপ বিশ্ব ফুটবলের ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছে। ফিফা বর্তমানে ইতিহাসের সবথেকে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে রয়েছে ও আমাদের ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলের এই উপকারে কাজে লাগতে পেরে আমরা গর্বিত।”
এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে মোট ৪৮টি দেশ। প্রত্যেকটি দেশের পুরস্কার মূল্য পাওয়ার কথা ছিল সাড়ে ১০ মিলিয়ন ডলার। চ্যাম্পিয়ন দলের পাওয়ার কথা ছিল ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে এবার সেই অর্থ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফিফা আশা করছে, তাদের এই সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী হবে ও ফুটবল খেলিয়ে দেশগুলোকে আরও ফুটবলের দিকে অগ্রসর হতে সাহায্য করবে।