Fifa World Cup, Portugal Squad: এটাই ‘দ্য লাস্ট ডান্স’ রোনাল্ডোর, পর্তুগালের শক্তি ও দুর্বলতা কোথায়?
Portugal Football Team: পর্তুগিজ কোচ দলে রেখেছেন প্রয়াত তারকা দিয়েগো জোটাকে। কোচের মত, জোটার উপস্থিতি দলকে শক্তি প্রদান করবে। এটাই শেষ বিশ্বকাপ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর, ফলে স্বাভাবিকভাবেই যাবতীয় নজর থাকবে তাঁর দিকে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি বিশ্বকাপ পেয়েছেন। এবার রোনাল্ডোকেও বিশ্বকাপ হাতে দেখতে চায় ফুটবল জনতা।

কলকাতা : ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য তাদের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে পর্তুগাল (Portugal)। কোচ রবার্তো মার্টিনেজের (Roberto Martines) এই স্কোয়াডে রয়েছে বিশ্বমানের কিছু তারকার সমাহার, তেমনই রয়েছে বেশ কিছু খামতিও। এই বছর গ্ৰুপ কে-তে (Group K) কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান, ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি হওয়ার আগে পর্তুগাল দলের শক্তি কী? দুর্বলতাই বা কী? গত বছরেই উয়েফা নেশন্স কাপ (Uefa Nations Cup) পেয়েছেন রোনাল্ডোরা (Cristiano Ronaldo)। হারিয়েছেন শক্তিশালী স্পেনকে (Spain)। এরপর স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছে রোনাল্ডোর দলের প্রতি।
পর্তুগালের শক্তি –
পর্তুগাল দলের সবথেকে বড় শক্তি হলো তাদের মাঝমাঠ। ব্রুনো ফার্নান্দেস ও বার্নার্ড সিলভার মতো ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডারদের সাথে তরুণ ভিতিনহা এবং জোয়াও নেভেসের উপস্থিতি দলকে দারুন ভারসাম্য দিয়েছে। উইংয়ে রাফায়েল লিয়াও ও পেদ্রো নেতোর গতি যেকোনও বিপক্ষ দলের ডিফেন্স ভাঙতে সক্ষম। দলে রয়েছেন ৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তাঁর অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিশ্রণ ঘটেছে একঝাঁক তরুণ নেতার। এছাড়াও দলে রয়েছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বার্নার্ডো সিলভার মতো খেলোয়াড়রা। পাশাপাশি নুনো মেন্ডেসের ডিফেন্স বিপক্ষের স্ট্রাইকারদের জন্য বরাবর ক্ষতিকারক। একই সঙ্গে আক্রমণ বিভাগে রয়েছেন রাফায়েল লিয়াও, যিনি আক্রমণ বিভাগে বল পেলেই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন।
দুর্বলতা –
পর্তুগালের সবথেকে বড় দুর্বলতা হল স্কোয়াডে কোনও ‘ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার’ নেই। তারকা মিডিও জোয়াও পালহিনহোকে দলে না রাখার ফলে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাবেন নুনো মেন্ডেজরা কিন্তু এর প্রধান দায়িত্ব কার ওপর পড়বে, তা বলা মুশকিল। সেন্ট্রাল ডিফেন্সেও রুবেন দিয়াসের পাশে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ ডিফেন্ডারের অভাব রয়েছে। এছাড়া, ৪১ বছর বয়সী রোনাল্ডো নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেললেও, আধুনিক ফুটবলের হাই-প্রেসিং কৌশলে তিনি কতটা মানিয়ে নিতে পারবেন ও নক আউট পর্বের মতো বড় ম্যাচে দল অতিরিক্ত রোনাল্ডো নির্ভর হয়ে পড়ে কী না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন খোদ পর্তুগিজ সমর্থকরাই। কিন্তু এটাও ঠিক, রোনাল্ডো একবার মাঠের বাইরে গেলে দলকে কামব্যাক করানোর মতো তারকা নেই। ব্রুনো, বার্নাডরা কখনোই রোনাল্ডোর মতো স্বতঃস্ফূর্ত নয়।
পর্তুগিজ কোচ দলে রেখেছেন প্রয়াত তারকা দিয়েগো জোটাকে। কোচের মত, জোটার উপস্থিতি দলকে শক্তি প্রদান করবে। এটাই শেষ বিশ্বকাপ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর, ফলে স্বাভাবিকভাবেই যাবতীয় নজর থাকবে তাঁর দিকে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি বিশ্বকাপ পেয়েছেন। এবার রোনাল্ডোকেও বিশ্বকাপ হাতে দেখতে চায় ফুটবল জনতা। আগামী ১৭ জুন ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে এই বিশ্বকাপে প্রথমবার মাঠে নামবে পর্তুগাল। তবে এই গ্ৰুপে রয়েছে উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়ার মতো দলও, যারা যেকোনও সময় পর্তুগালের স্বপ্ন ভঙ্গ করতে পারে। ২০২২ এর মরোক্কোর স্মৃতি যে এখনও টাটকা।
