
ভারত – ০ : ব্রাজিল – ৪ (এস্তেভাও, পেদ্রো, স্যামুয়েল ২)
কলকাতা: ইদানিং ইনস্টাগ্রাম খুললেই এক ধরণের রিল চোখে পড়ে, যে গোলকিপাররা তাঁদের কিপিং গ্লাভসে গ্লু লাগিয়ে বল সেভ করতে দাঁড়ান। ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং কি ইনস্টাগ্রামে চোখ রাখেন? নাহলে জানতে পারেন বল সেভ করার কিছু উদ্ভাবনী ‘তরিকা’। কারণ আজকের পর যদি সমাজমাধ্যমে একটা বড় অংশের সমর্থকদের তিনি চক্ষুশূল হয়ে যান, বিশেষ কিছু বলার থাকবে না। প্রথমার্ধে তাঁর ভুলেই ম্যাচ প্রায় পকেটে পুরে নিয়েছিল ব্রাজিল। ২টো ভুল করলেন গুরপ্রীত। দুটোই পিছিয়ে দিল ভারতকে। বাকি যা হল, ওটা ‘আইসিং অন দ্য কেক’। ফলে একটুর জন্য স্মরণীয় হল না ভারতের ব্রাজিল ম্যাচ। ভারতের বিরুদ্ধে ৪-০ জিতে দেশে ফিরবেন ভিনিসিয়াসরা।
৪-২-৩-১ ফর্মেশনে শুরু করেছিলেন ভারত কোচ খালিদ জামিল। শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন রায়ান উইলিয়ামস, মণবীররা। পানামার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত খেলেছিল ভারত। কিন্তু আজ শুরু থেকেই আক্রমণ করা শুরু করে ভিনি জুনিয়ররা। থেমে ছিল না ভারতও। ভারত বারবার আক্রমণ করে গিয়েছে কিন্তু আটকে গিয়েছে স্রেফ অনভিজ্ঞতায়। ২৮ মিনিটের মাথায় গুরপ্রীতের ভুলে প্রথম গোল পেল ভারত। বক্সের ডানদিকে বল পান এস্তেভাও। তারপর একটু কাটিয়ে বাঁ পা দিয়ে জোরালো শট মারেন গোলে। গুরপ্রীত সিংয়ের হাতে লেগে সেই বল ঢুকে যায় গোলে। এর মিনিট আটেক পরেই পোস্টে বল মারেন পেদ্রো। তার মিনিট ছয়েক পরেই দ্বিতীয় গোল পায় ব্রাজিল। এবারেও গুরপ্রীতের ভুল। এস্তেভাওয়ের থেকে বল পেয়েছিলেন পেদ্রো। তাঁর শট হাত ও পায়ের নিচ থেকে গলিয়ে দেন গুরপ্রীত। প্রথমার্ধে ২-০ এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। প্রথমার্ধে যথেষ্ট সাহসী ফুটবল উপহার দিয়েছে ভারত। বারবার আক্রমণ শানিয়েছে, উঠে এসেছেন মণবীর ও রায়ান, ভিনিকে আটকেছেন বিজয় ভার্গিসরা। যদি প্রস্তুতি ভাল করেও পরীক্ষার খাতায় না লেখা যায়, তাহলে সব প্রস্তুতি মাঠে মারা যায়। এখানেও একপ্রকার তাইই হল। ভারত এক মুহূর্তের জন্যেও ম্যাচ ছেড়ে দেয়নি। বারবার লড়াই করেছে, পাল্টা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুটো বাজে গোল খাওয়াই যেন ভারতকে ম্যাচে কয়েক কিলোমিটার পিছিয়ে দিল।
কলকাতা: ইদানিং ইনস্টাগ্রাম খুললেই এক ধরণের রিল চোখে পড়ে, যে গোলকিপাররা তাঁদের কিপিং গ্লাভসে গ্লু লাগিয়ে বল সেভ করতে দাঁড়ান। ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং কি ইনস্টাগ্রামে চোখ রাখেন? নাহলে জানতে পারেন বল সেভ করার কিছু উদ্ভাবনী ‘তরিকা’। কারণ আজকের পর যদি সমাজমাধ্যমে একটা বড় অংশের সমর্থকদের তিনি চক্ষুশূল হয়ে যান, বিশেষ কিছু বলার থাকবে না। প্রথমার্ধে তাঁর ভুলেই ম্যাচ প্রায় পকেটে পুড়ে নিয়েছিল ব্রাজিল। ২টো ভুল করলেন গুরপ্রীত। দুটোই পিছিয়ে দিল ভারতকে। বাকি যা হল, ওটা ‘আইসিং অন দ্য কেক’। ফলে একটুর জন্য স্মরণীয় হল না ভারতের ব্রাজিল ম্যাচ। ভারতের বিরুদ্ধে ৩-০ জিতে দেশে ফিরবেন ভিনিসিয়াসরা।
৪-২-৩-১ ফর্মেশনে শুরু করেছিলেন ভারত কোচ খালিদ জামিল। শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন রায়ান উইলিয়ামস, মণবীররা। পানামার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত খেলেছিল ভারত। কিন্তু আজ শুরু থেকেই আক্রমণ করা শুরু করে ভিনি জুনিয়ররা। থেমে ছিল না ভারতও। ভারত বারবার আক্রমণ করে গিয়েছে কিন্তু আটকে গিয়েছে স্রেফ অনভিজ্ঞতায়। ২৮ মিনিটের মাথায় গুরপ্রীতের ভুলে প্রথম গোল পেল ভারত। বক্সের ডানদিকে বল পান এস্তেভাও। তারপর একটু কাটিয়ে বাঁ পা দিয়ে জোরালো শট মারেন গোলে। গুরপ্রীত সিংয়ের হাতে লেগে সেই বল ঢুকে যায় গোলে। এর মিনিট আটেক পরেই পোস্টে বল মারেন পেদ্রো। তার মিনিট ছয়েক পরেই দ্বিতীয় গোল পায় ব্রাজিল। এবারেও গুরপ্রীতের ভুল। এস্তেভাওয়ের থেকে বল পেয়েছিলেন পেদ্রো। তাঁর শট হাত ও পায়ের নিচ থেকে গলিয়ে দেন গুরপ্রীত। প্রথমার্ধে ২-০ এগিয়ে থাকে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই শুরু করেছিল ভারত। শুরুতেই গোলকিপার গুরপ্রীতকে বদলে প্রভসুখন গিলকে নামান খালিদ জামিল। ৫৮ মিনিটের মাথায় আবার গোল। বিজয় ভার্গিসের মিসপাস থেকে গোল করে যান স্যামুয়েল লিনো। এর পরেই আবার আক্রমণ শুরু করে ভারত। একাধিক চেষ্টা করলেও গোল আর আসেনি। উল্টে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে লিনোর জোরালো শটে স্কোরবোর্ড হয়ে যায় ৪-০। গিল চেষ্টা করেও ধরতে পারেননি বল।
আজকে খুব পজিটিভ খেলেছে ভারত। ৩ গোল খেয়ে কুঁকড়ে না গিয়ে বারবার আক্রমণ করেছে। গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন রায়ান, মণবীররা। প্রথম ২৮ মিনিট ব্রাজিলকে আটকে রাখা মুখের কথা নয়। সেই ব্রাজিলকেই ধরে রাখলেন খালিদের ছেলেরা। ফলে একটা কথা হয়ত আজ বলাই যায়। ভারত হেরেছে, কিন্তু আজকের এই লড়াইয়ের পর তারা প্রাপ্তবয়স্কও হয়েছে।