কলকাতা: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, কলকাতায় আগমন হল লিওনেল মেসির (Lionel Messi)। গোট ট্যুর-এর (GOAT Tour) অংশগ্রহণ করতে এসে ১৪ বছর পর কলকাতায় পদার্পন করেছিলেন লিও। কিন্তু তাঁর মাঠে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই অঘটন। মেসি (Messi), সুয়ারেজ (Luis Suarez), রদ্রিগো দি পল (Rodrygo De Paul) মাঠে ঢোকার পরেই কোথা থেকে প্রচুর লোক এসে ঘিরে ফেলেন মেসিদের। এরপর যতক্ষণ মেসিরা মাঠে ছিলেন, ততক্ষন মেসিদের ঘিরে ছিলেন সেই লোকেরাই। ফলে মেসিকে একঝলক চোখের দেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন হাজার হাজার মেসি ফ্যান। এরপরে তাঁদের রোষ গিয়ে পড়ে স্টেডিয়ামের (Saltlake Stadium) উপর। মাঠের জাল ছেঁড়া, তবে তুলে বাড়ি নিয়ে যাওয়া, চেয়ার ভেঙে ফেলা – কিছুই বাদ যায়নি। ঘটনার দিনেই গ্রেফতার করা হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে (Shatadru Dutta)। এবার সেই বিষয়েই মুখ খুললেন শতদ্রু। জানালেন, আইনি পথে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
TV9 বাংলাকে শতদ্রু জানিয়েছেন, “আমি আগেই পুলিশকে জানিয়েছিলাম, যে এই ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু পুলিশরা আমাদের কথা শোনেনি। আমি বারবার তদন্তের দাবি করেছি কিন্তু তাদের দাবি ছিল প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীকে বাঁচানো। আজ যদি দুর্ঘটনাবশত মেসির কিছু হয়ে যেত, সেই দায় কে নিত? যেভাবে আজ গ্যালরি থেকে শয়ে শয়ে লোক ঢুকে এসেছিল, যদি এদের মধ্যে কেউ মেসির কোনওরকম ক্ষতি করে দিত, কে ব্যবস্থা নিত? আমাকে বলির পাঁঠা বানিয়ে আসল লোকগুলোকে বাঁচাচ্ছে পুলিশ।” কলকাতার পাশাপাশি হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বই – বাকি ৩ শহরেও নির্বিঘ্নে হয়েছিল অনুষ্ঠান, সেই অনুষ্ঠানগুলি নিয়েও অকপট শতদ্রু। তাঁর কথায়, “বাকি ৩ শহরেও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠান হয়েছে। সেইসব জায়গাতেও আমি পুলিশের থেকে এনওসি পেয়েছি, শো খুব ভাল হয়েছে। কেন কলকাতা বঞ্চিত হল? আমার কাছে এমন কিছু ছবি ও ভিডিও আছে, যেগুলো দেখলে বোঝা যাবে, কারা কারা এই অনুষ্ঠানকে ভন্ডুল করার মূল চক্রী।”
ইতিমধ্যেই প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের উপর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতদ্রু। তাঁর আইনজীবী রণজিৎ ঘোষের কথায়,“আমরা অরুপ বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস ও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার- এই ৩ জনের উপর মামলা করতে চলেছি। যেভাবে তাঁরা একটা জেড প্লাস ক্যাটাগরি শো বানচাল করে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করলেন, এই দায় তাঁদের নিতেই হবে। এই অনুষ্ঠান ঠিকভাবে হতে দেওয়ার দায় ছিল পুলিশের। পুলিশ নিজেদের কাজ পালনে ব্যর্থ। আজ যদি মেসির কিছু একটা হয়ে যেত, সেই দায় কে নিত? এই মামলার সঙ্গে মাঠে ভাঙচুর সংক্রান্ত আরও একটা মামলা আমরা করতে চলেছি।”
ইতিমধ্যেই রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, মেসি কাণ্ডের ফাইল খোলা হবে। যাঁরা যাঁরা এই ঘটনার জন্য দায়ী ও যাঁদের জন্য এই হাই ভোল্টেজ ইভেন্ট ব্যর্থ হল, তার দায় তাঁদের নিতেই হবে। গোটা রাজ্যবাসী দেখেছে, কিভাবে মেসিকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঘিরে ছিলেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। এমনকি যেভাবে মেসিকে নিজের বন্ধু বানিয়ে ঘুরছিলেন অরুপ, সেই দৃশ্য দেখে রীতিমতো ক্ষুব্ধ রাজ্যবাসী। শতদ্রুর কথায়,“ওঁকে (অরুপ) মেসিকে কাঁধে, কোমর ছুঁতে দেখে মেসির ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল,’মেসিকে ওর অনুমতি ছাড়া ছোঁয়ার অধিকার কে দিয়েছে?’ মেসি নিজেও বিরক্ত হচ্ছিল এই অতিরিক্ত ‘বন্ধুত্বে’। “ তবে শতদ্রু এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আদালতে যাওয়ার। ফলে, অসুবিধে বাড়তে চলেছে অরুপ বিশ্বাসের, তা একপ্রকার বলে দেওয়াই যায়।
কলকাতা: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, কলকাতায় আগমন হল লিওনেল মেসির (Lionel Messi)। গোট ট্যুর-এর (GOAT Tour) অংশগ্রহণ করতে এসে ১৪ বছর পর কলকাতায় পদার্পন করেছিলেন লিও। কিন্তু তাঁর মাঠে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই অঘটন। মেসি (Messi), সুয়ারেজ (Luis Suarez), রদ্রিগো দি পল (Rodrygo De Paul) মাঠে ঢোকার পরেই কোথা থেকে প্রচুর লোক এসে ঘিরে ফেলেন মেসিদের। এরপর যতক্ষণ মেসিরা মাঠে ছিলেন, ততক্ষন মেসিদের ঘিরে ছিলেন সেই লোকেরাই। ফলে মেসিকে একঝলক চোখের দেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন হাজার হাজার মেসি ফ্যান। এরপরে তাঁদের রোষ গিয়ে পড়ে স্টেডিয়ামের (Saltlake Stadium) উপর। মাঠের জাল ছেঁড়া, তবে তুলে বাড়ি নিয়ে যাওয়া, চেয়ার ভেঙে ফেলা – কিছুই বাদ যায়নি। ঘটনার দিনেই গ্রেফতার করা হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে (Shatadru Dutta)। এবার সেই বিষয়েই মুখ খুললেন শতদ্রু। জানালেন, আইনি পথে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
TV9 বাংলাকে শতদ্রু জানিয়েছেন, “আমি আগেই পুলিশকে জানিয়েছিলাম, যে এই ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু পুলিশরা আমাদের কথা শোনেনি। আমি বারবার তদন্তের দাবি করেছি কিন্তু তাদের দাবি ছিল প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীকে বাঁচানো। আজ যদি দুর্ঘটনাবশত মেসির কিছু হয়ে যেত, সেই দায় কে নিত? যেভাবে আজ গ্যালরি থেকে শয়ে শয়ে লোক ঢুকে এসেছিল, যদি এদের মধ্যে কেউ মেসির কোনওরকম ক্ষতি করে দিত, কে ব্যবস্থা নিত? আমাকে বলির পাঁঠা বানিয়ে আসল লোকগুলোকে বাঁচাচ্ছে পুলিশ।” কলকাতার পাশাপাশি হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বই – বাকি ৩ শহরেও নির্বিঘ্নে হয়েছিল অনুষ্ঠান, সেই অনুষ্ঠানগুলি নিয়েও অকপট শতদ্রু। তাঁর কথায়, “বাকি ৩ শহরেও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠান হয়েছে। সেইসব জায়গাতেও আমি পুলিশের থেকে এনওসি পেয়েছি, শো খুব ভাল হয়েছে। কেন কলকাতা বঞ্চিত হল? আমার কাছে এমন কিছু ছবি ও ভিডিও আছে, যেগুলো দেখলে বোঝা যাবে, কারা কারা এই অনুষ্ঠানকে ভন্ডুল করার মূল চক্রী।”
ইতিমধ্যেই প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের উপর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতদ্রু। তাঁর আইনজীবী রণজিৎ ঘোষের কথায়,“আমরা অরুপ বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস ও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার- এই ৩ জনের উপর মামলা করতে চলেছি। যেভাবে তাঁরা একটা জেড প্লাস ক্যাটাগরি শো বানচাল করে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করলেন, এই দায় তাঁদের নিতেই হবে। এই অনুষ্ঠান ঠিকভাবে হতে দেওয়ার দায় ছিল পুলিশের। পুলিশ নিজেদের কাজ পালনে ব্যর্থ। আজ যদি মেসির কিছু একটা হয়ে যেত, সেই দায় কে নিত? এই মামলার সঙ্গে মাঠে ভাঙচুর সংক্রান্ত আরও একটা মামলা আমরা করতে চলেছি।”
ইতিমধ্যেই রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, মেসি কাণ্ডের ফাইল খোলা হবে। যাঁরা যাঁরা এই ঘটনার জন্য দায়ী ও যাঁদের জন্য এই হাই ভোল্টেজ ইভেন্ট ব্যর্থ হল, তার দায় তাঁদের নিতেই হবে। গোটা রাজ্যবাসী দেখেছে, কিভাবে মেসিকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঘিরে ছিলেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। এমনকি যেভাবে মেসিকে নিজের বন্ধু বানিয়ে ঘুরছিলেন অরুপ, সেই দৃশ্য দেখে রীতিমতো ক্ষুব্ধ রাজ্যবাসী। শতদ্রুর কথায়,“ওঁকে (অরুপ) মেসিকে কাঁধে, কোমর ছুঁতে দেখে মেসির ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল,’মেসিকে ওর অনুমতি ছাড়া ছোঁয়ার অধিকার কে দিয়েছে?’ মেসি নিজেও বিরক্ত হচ্ছিল এই অতিরিক্ত ‘বন্ধুত্বে’। “ তবে শতদ্রু এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আদালতে যাওয়ার। ফলে, অসুবিধে বাড়তে চলেছে অরুপ বিশ্বাসের, তা একপ্রকার বলে দেওয়াই যায়।