Fifa World Cup 2026, France Squad: হ্যাটট্রিকের সুবর্ণ সুযোগ ফ্রান্সের সামনে, দেশঁর দলের শক্তি ও দুর্বলতা জেনে নিন!
Kylian Mbappe: ক্নাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এমবাপে বেশ সফল হলেও আসেনি ইউসিএল। ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করেছিল ফ্রান্স। পরের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল এমবাপেদের।

কলকাতা: ফুটবল বিশ্বকাপের মহারণ শুরু হতে বাকি আর কয়েকটা দিন। এর মাঝেই কিংবদন্তি কোচ দিদিয়ের দেশঁ (Didier Deschamps) ঘোষণা করে দিয়েছেন নিজের ২৬ জনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড। দীর্ঘ ১৪ বছর ফ্রান্সের (France Football Team) ডাগ আউটে কাটানোর পর এটিই শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে দেশঁর। এই দলে যেমন রয়েছেন অভিজ্ঞ একঝাঁক বিশ্বমানের তারকা, তেমনই বেশ কিছু যুব খেলোয়ারকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। গ্ৰুপ আই-তে থাকা ফ্রান্স এই টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট হলেও, বেশ কিছু খামতি বা দুর্বলতা কিন্তু তাদেরও রয়েছে। তবে তার আগে দেখে নিন ফ্রান্সের শক্তি।
শক্তি – 1 – ফুটবল বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর এবং বিধ্বংসী আক্রমণভাগ রয়েছে ফ্রান্সের। এই আক্রমণের মূল কান্ডারী রিয়াল মাদ্রিদের সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappe)। এছাড়া উইংয়ে গতির ঝড় তুলবেন উসমান ডেম্বেলে (Usman Dembele) ও ব্র্যাডলি বার্কোলা (Bradley Barcola)। মাইকেল ওলিসে (Michael Olise) ও রায়ান চেরকির (Ryan Cherki) মতো তারকারা মাঝমাঠ থেকে বল জোগানোর জন্য আরও অপশন বাড়িয়ে দেবেন দেশঁর হাতে। স্ট্রাইকার হিসেবে থাকছেন মার্কাস থুরাম (Marcus Thuram)।
২ – ফ্রান্সের ডিফেন্সও বড্ড শক্তিশালী। আর্সেনালের উইলিয়াম স্যালিবা ও লিভারপুলের ইব্রাহিম কোনাতের সেন্ট্রাল ডিফেন্স জুটি নিজেদের ফর্মে থাকলে যেকোনও বিপক্ষ দলের জন্যই ভয়ঙ্কর। গতি, শারীরিক শক্তি ও বল ট্যাকল করে এই জুটি বিশ্বসেরা। তাদের ব্যাকআপ দেওয়ার জন্য বার্সেলোনার দুর্দান্ত ফর্মে থাকা জুল কুন্ডে, দাওট উপমেকানো, ম্যাকিন্স ল্যাক্রিয়ার মতো তারকারা রয়েছেন।
৩ -ফ্রান্সের মাঝমাঠের প্রধান আকর্ষণ হলো অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের মিশেল। একদিকে যেমন বটবৃক্ষের ন্যায় দাঁড়িয়ে আছেন এনগোলো কন্তে, তেমনই রয়েছেন পিএসজি-র ওয়ারেন জাইরে-এমেরি। এছাড়াও দলে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের অরেলিয়েন চুয়ামেনিও।
দুর্বলতা –
১- দেশঁর দোল নির্বাচন নিয়ে বরাবরই বিতর্ক থাকে, এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার এডুয়ার্ডো কামাভিঙ্গা, রেন্ডাল কোলো-মুয়ানিকে এই দলে রাখেননি কোচ দেশঁ। কামাভিঙ্গার না থাকা ভোগাতে পারে ফ্রান্সকে।
২ – সেন্ট্রাল ডিফেন্স শক্তিশালী হলেও ফুল ব্যাক পজিশন নিয়ে একটু হলেও ঝুঁকি থাকবে। থিও হার্নান্দেজ ও মালো গুস্তো যদি চোট পেয়ে যান, তাহলে তাঁদের বদলে সুযোগ পাবেন কে?
৩ – দিদিয়ের দেশঁ এই বিশ্বকাপের পরেই দল ছাড়বেন। দলের একঝাঁক হাই প্রোফাইল তারকার ইগো সামলে বিদায়ী কোচকে ট্রফি দিতে চাইবে ফ্রান্স। হয় দল এককাট্টা হয়ে নিজেদের উজাড় করে দেবে, নাহলে এক ম্যাচে জয় না পেলে দলের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরী হবে।
২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় করেছিল ফ্রান্স। পরের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে হারতে হয় এমবাপেদের। ১৭ জুন সেনেগালের বিরুদ্ধে এই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ফ্রান্স। তবে টানা ৩ বার ফাইনাল খেলার হ্যাটট্রিক করতে পারবেন কি কামাভিঙ্গারা, উত্তর দেবে সময়।
