
ক্রাইস্টচার্চ: ১০৮ দিন পর ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেন বৈভব সূর্যবংশী। তিনি ব্যর্থ হলেন। তবুও জিতল ভারত। একসময় দরকার ছিল ১৮ বলে ৪৬ রান। সেখান থেকেই নাটকীয় কামব্যাক ভারতের। ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে জিতল ভারত। জেতালেন সেই তিলক ভার্মা ও নীতিশ রেড্ডি। গত ম্যাচেও দারুন ব্যাটিং করেছিলেন তিলক। আজও দুরন্ত হাফসেঞ্চুরি করলেন তিনি। এই ম্যাচ জিতে ৫ ম্যাচের সিরিজ ২-০ এগিয়ে গেল ভারত।
টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। শুরু থেকেই ভাল বোলিং করছিল ভারত। ৬ ওভারের মধ্যেই সাজঘরে ফিরে যান ৩ কিউয়ি ব্যাটার – টিম সেইফার্ট (৭), ফিন অ্যালেন (১৬) ও ড্যারেল মিচেল (৬)। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপ্স ও বেভন জেকবস পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ভারতের উপর। ৪৩ বলে ৭০ রান করেন ফিলিপ্স। ৪৬ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন জেকবসও। তাঁদের বদান্যতায় ২০ ওভারের শেষে ১৮০ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড। শেষে মাইকেল ব্রেসওয়েল ২ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে সবথেকে বেশি রান দিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। তাঁর বোলিং স্ট্যাট ৪-০-৫০-১। ২টি উইকেট পেয়েছেন অর্শদীপ সিং। ৩৩ রান দিয়ে সেইফার্ট ও ফিলিপ্সকে আউট করেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নীতিশ রেড্ডি ও প্রিন্স যাদবও।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভাল শুরু করেছিল ভারত। কিন্তু পঞ্চম ওভার থেকেই শুরু ভরাডুবি। ৪ ওভারের মধ্যে দ্রুত ৩ উইকেট খুইয়ে ফেলে ভারত। ১৭ বলে ১৪ করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। ২১ বলে ২৭ করেন অভিষেক শর্মা। ১০৮ দিন পরে ভারতীয় দলে ফিরেও বড় রান পেলেন না বৈভব (৪)। অধিনায়ক শ্রেয়সও ব্যর্থ (৭)। রান পাননি অক্ষর প্যাটেলও (১১)। কিন্তু ১৮তম ওভারে ১৭ রান দিলেন জেকব ডাফি। প্রায় হারা ম্যাচে ভারতকে জয়ের সরণিতে ফেরালেন তিলক ভার্মা ও নীতিশ রেড্ডি। ১৯ তম ওভারে এল ১৮ রান। এরপরেই বোঝা গিয়েছিল ভারতের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। শেষে ১ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া। ২৬ বলে ৫১ রানে অপরাজিত রইলেন তিলক। ১৩ বলে ২৬ রানে অপরাজিত রইলেন নীতিশ রেড্ডিও।