
মুম্বই: আবার চর্চায় সচিন তেন্ডুলকর। ভারতের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার গতকাল, সোমবার সমাজমাধ্যমে তাঁর ভাইঝি করিশ্মাকে নিয়ে একটি পোস্ট করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নিজের পোস্টে সচিন করিশ্মাকে তাঁর সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই প্রথম নয়, আগেও তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। ২০১৬ সালেও করিশ্মার সাফল্যে তিনি পোস্ট করেছিলেন।
কী লিখেছিলেন সচিন?
ফেসবুকে সচিন লিখেছিলেন, “আমার ভাইঝি করিশ্মাকে অভিনন্দন। এটা দেখে খুব ভাল লাগছে যে তোমার কঠোর পরিশ্রম অবশেষে স্বীকৃতি পেল। যাই হোক, তোমার জানা উচিৎ যে তোমার এই সাফল্যের সঙ্গে একজন মামাও জড়িত, যিনি সবাইকে এই খবরটি জানাবেন। আমি তোমার জন্য খুব গর্বিত।”
কে এই করিশ্মা তেন্ডুলকর?
করিশ্মা ক্রিকেটে নয়, বরং চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। করিশ্মা আসলে সচিনের বড় ভাই নিতিন তেন্ডুলকর ও তাঁর স্ত্রী মীনা তেন্ডুলকরের কন্যা ও পেশায় একজন ডাক্তার। তিনি রেটিনা ও জটিল চোখের রোগে বিশেষজ্ঞ ও পুণেতে তাঁর নিজের একটি সুপারস্পেশালিটি চক্ষু পরিচর্যা কেন্দ্র চালান। তাঁর কাছে এমবিবিএস ও এমএস – দুই ডিগ্রিই আছে। এরপর তিনি আবার বেঙ্গালুরুর নারায়ণ নেত্রালয় থেকে ভিট্রো-রেটিনাল সার্জারি, ইউভিয়া ও অপরিণত শিশুদের রেটিনোপ্যাথির উপর বিশেষ পড়াশুনা করেছেন। এই বিষয়ে তাঁর একটি অ্যাডভান্সড ফেলোশিপ ডিগ্রিও আছে।
তিনি NAAMH সুপারস্পেশালিটি আই কেয়ার-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। তিনি রেটিনাল ডিটাচমেন্ট, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি, ইউভাইটিস ভিক্টরেটমি সার্জারি, রেটিনাল লেজার ট্রিটমেন্ট, অপরিণত শিশুদের মধ্যে একটি গুরুতর চোখের রোগ ROP-র স্ক্রিনিং ও চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ। তিনি পুনেতে নিজের হাসপাতাল পরিচালনা করেন। মেডিক্যাল স্কুল ও চক্ষুবিদ্যা ক্ষেত্রে তিনি তাঁর কাজের জন্য বহু সম্মান পেয়েছেন। এবার তাঁর কাজেই গর্বিত হলেন তাঁর কাকা সচিন তেন্ডুলকর।