Space Science News: চাঁদ হবে দ্বিতীয় ঘর? উপাদান পাঠাচ্ছে পৃথিবীই! বড় তথ্য দিলেন বাঙালি গবেষক
Mysterious Moon: নাসা স্পেস নিউজ নামক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গবেষণাপত্রটি তৈরি করেছেন দুই বিজ্ঞানী। যাঁদের মধ্যে একজন আবার বাঙালি। নাম শুভঙ্কর প্রামাণিক। তাঁকে ছাড়াও রয়েছেন অধ্যাপক এরিক ব্ল্যাকম্যান। সংশ্লিষ্ট গবেষণায় তাঁরা উল্লেখ করেছেন, পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বা ম্য়াগনেটিক ফিল্ড আসলে একটি শক্তিশালী সুড়ঙ্গ কিংবা হাইওয়ের মতো কাজ করে।

নয়াদিল্লি: আগামী দিনে কি মানব প্রজাতির দ্বিতীয় বাড়ি হবে এই চাঁদ? এই নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ রচেস্টারের বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণাপত্র সেই সম্ভবনাকেই যেন বাড়তি মাইলেজ দিচ্ছে। কিন্তু কী এমন বলা হয়েছে ওই গবেষণাপত্রে?
আমেরিকার ওই বিশ্ববিদ্য়ালয়ের বিজ্ঞানীদের প্রকাশিত গবেষণাপত্রের নাম নেচার কমিউনিকেশন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রোমেন্ট (Nature Communications Earth and Environment)। তাতে বলা হয়েছে, পৃথিবী ‘নিঃশব্দে’ চাঁদকে এমন কিছু মৌলিক উপাদান প্রদান করছে, যা ওই উপগ্রহের মধ্যে প্রাণের জন্ম দিতে সক্ষম হতে পারে। কিন্তু কীভাবেই বা এই উপাদান চাঁদ অবধি পৌঁছে গেল?
নাসা স্পেস নিউজ নামক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গবেষণাপত্রটি তৈরি করেছেন দুই বিজ্ঞানী। যাঁদের মধ্যে একজন আবার বাঙালি। নাম শুভঙ্কর প্রামাণিক। তাঁকে ছাড়াও রয়েছেন অধ্যাপক এরিক ব্ল্যাকম্যান। সংশ্লিষ্ট গবেষণায় তাঁরা উল্লেখ করেছেন, পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বা ম্য়াগনেটিক ফিল্ড আসলে একটি শক্তিশালী সুড়ঙ্গ কিংবা হাইওয়ের মতো কাজ করে। যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক উপাদান — অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং জলীয় বাষ্পের মতো গ্যাসীয় কণাগুলিতে সৌর বায়ুর ধাক্কায় এই চৌম্বকীয় সুড়ঙ্গ দিয়ে চাঁদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানীরা আয়ন ইমপ্লিমেনটেশন বলে উল্লেখ করেছেন।
প্রসঙ্গত, আজ থেকে প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এসে আছড়ে পড়ে এক অতিকায় গ্রহাণু। তার ধাক্কায় পৃথিবীর একটা অংশ ছিটকে বেরিয়ে গিয়ে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে শুরু করে। চাঁদের জন্মের কারণ হিসাবে এই ব্যাখ্যাটাই সবচেয়ে পরিচিত এবং নানা মহলে এর মান্যতা পেয়েছে। চাঁদের মাটিতে যেসব মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ পাওয়া গেছে, সেগুলোর সঙ্গে পৃথিবীতে পাওয়া ওই সব পদার্থ ও গ্যাসীয় উপাদানের মিল রয়েছে। এবার সদ্য় প্রকাশিত গবেষণাপত্রের নিরিখে বলা যেতে পারে, এই চাঁদ ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে মানুষের বসবাসযোগ্য, কিন্তু তা কবে হবে বলা কঠিন।
