হোটেল বন্ধ, হোটেল চালু

হেরে গিয়ে পাইস হোটেল কেনেন। এখন মানুষকে অভুক্ত না-রাখার নেশাটা আবার জেগে উঠেছে মনের মধ্যে। প্রতিদিন জনা কুড়ি মানুষকে খাওয়াচ্ছেন।

একে লকডাউন। তার উপর ফোন বলতে সেই বাটন টিপে। অনলাইন বোঝেন না। কিন্তু বোঝেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। ভবানীবাবু। ফরিয়াপুকুরে ছোট্ট একটা পাইস হোটেল।
ব্যবসায় সত্যিই এখন ভাঁড়ে মা ভবানী অবস্থা । হোটেলের চেয়ার-টেবিল তুলে রাখা। কিন্তু ভবানীবাবু প্রতিদিন সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি পরে রুটিন মতো বাজার যাচ্ছেন। কেন? কারণ এলাকার করোনা আক্রান্তদের মাছে-ভাতে রাখতে হবে।
একসময় ভোটে লড়েছেন। হেরে গিয়ে ছোট পাইস হোটেল খোলেন। কম দামে ভাল মাছ-ভাত, নাম করেন সবাই।
লকডাউনে হোটেল ব্যবসা বন্ধ। কিন্তু হোটেল চালু রেখেছেন ভবানীবাবু। ফড়িয়াপুকুরে মাছ-ভাতের পাইস হোটেলে এখন কর্মচারী হাতেগোনা। নিজেই রাঁধছেন। একসময় ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মানুষের কাজ করার জন্য। হেরে গিয়ে পাইস হোটেল কেনেন। এখন মানুষকে অভুক্ত না-রাখার নেশাটা আবার জেগে উঠেছে মনের মধ্যে। প্রতিদিন জনা কুড়ি মানুষকে খাওয়াচ্ছেন।