বাঘের সঙ্গে লড়াইয়ে জিতেও চোখে জল বাংলার মায়ের

ওর চিৎকারে তাকিয়ে দেখি বাঘটা বাঁদিকে কাঁধের কাছে কামড় বসিয়েছে বাঘটা। আমি কোনমতে বাঘের পিঠে উঠে পড়ি। মায়ের নাম নিয়ে দুই কানে দুটো আঙুল চালিয়ে দি।

বাঘা যতীনকে এক ডাকে চেনেন কুলতলির গৃহবধূ । তাঁকেও চিনলাম একই কারণে। বাঘ।
কুলতলী ব্লকের ভুবনেশ্বরী গ্ৰামের শঙ্কর শী বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হন। স্ত্রী জ্যোৎস্না শী বাঘের সাথে লড়াই করে স্বামী কে প্রাণে বাঁচিয়ে আনেন। ওর চিৎকারে তাকিয়ে দেখি বাঘটা বাঁদিকে কাঁধের কাছে কামড় বসিয়েছে বাঘটা। আমি কোনমতে বাঘের পিঠে উঠে পড়ি। মায়ের নাম নিয়ে দুই কানে দুটো আঙুল চালিয়ে দি। কোনক্রমে প্রাণে বাঁচে ও।” চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। একমাত্র সম্বল জমিটুকু ও বন্ধকে চলে যায়। এর আগেও ছয় বছর আগে মেয়ের স্বামীকে তুলে নিয়ে যায় বাঘ। তার আর ফেরা হয় নি। একমাত্র নাতনি এখন দাদু দিদার কাছে। শংকর বাবু বলেন ” জ্যোৎস্না সাক্ষাৎ দুর্গার মতই বাঁচিয়েছে আমাকে। কিন্তু এবার ওদের বাঁচিয়ে রাখতে পারবো তো? আমি আর নদীতে যেতে পারছি না। আরেক মেয়ের পড়াশোনা।”
“হাত পেতে সংসার চলছে ,” চোখে জল নিয়ে বলেন বাঘ বিজয়িনী। “জীবন যুদ্ধের এমন জাদুকর কে অনন্য সম্মাননা জানানোর জন্য জাদুকর পি সি সরকার জুনিয়রের জন্মদিনে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি” বলছেন উদ্যোক্তা উজ্জ্বল সর্দার। ৪০হাজার টাকার অনুদান তুলে দেওয়া হল তাঁদের হাতে।

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla