আড়াই দশক পর বিধানসভা ভোটে প্রার্থী, প্রচারে চেনা মেজাজে অধীর

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 31, 2026 | 9:48 PM

আড়াই দশক সংসদের অলিন্দে দেখা গিয়েছে তাঁকে। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতার দায়িত্বও পালন করেছেন। তা বলে বিধানসভার অন্দরে যে তাঁকে দেখা যায়নি, এমনটা নয়। তবে তা ২৬ বছর আগে। আর ২৬ বছর পর ফের বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন অধীর চৌধুরী। বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের বাজি তিনি। ২৫ বছর লোকসভার সাংসদ থাকলেও বিধানসভায় যাওয়ারও অভিজ্ঞতা রয়েছে বহরমপুরের ‘রবীন হুড’ অধীরের। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালের লোকসভা ভোট পর্যন্ত বিধায়ক ছিলেন। তারপর ১৯৯৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্রে জিতে প্রথমবার সংসদে পা রাখেন অধীর। দীর্ঘ ২৫ বছর বহরমপুরের সাংসদ থেকেছেন। ২০২৪ সালের তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হন। এবার বিধানসভা ভোটে টিকিট পেয়েই জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন অধীর। বিরোধীরা অবশ্য তাঁকে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না।

আড়াই দশক সংসদের অলিন্দে দেখা গিয়েছে তাঁকে। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতার দায়িত্বও পালন করেছেন। তা বলে বিধানসভার অন্দরে যে তাঁকে দেখা যায়নি, এমনটা নয়। তবে তা ২৬ বছর আগে। আর ২৬ বছর পর ফের বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন অধীর চৌধুরী। বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের বাজি তিনি।

২৫ বছর লোকসভার সাংসদ থাকলেও বিধানসভায় যাওয়ারও অভিজ্ঞতা রয়েছে বহরমপুরের ‘রবীন হুড’ অধীরের। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালের লোকসভা ভোট পর্যন্ত বিধায়ক ছিলেন। তারপর ১৯৯৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্রে জিতে প্রথমবার সংসদে পা রাখেন অধীর। দীর্ঘ ২৫ বছর বহরমপুরের সাংসদ থেকেছেন। ২০২৪ সালের তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হন। এবার বিধানসভা ভোটে টিকিট পেয়েই জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন অধীর। বিরোধীরা অবশ্য তাঁকে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না।

Follow Us