AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বালি মাফিয়াদের দাপট মহানন্দায়, সব দেখেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

বালি মাফিয়াদের দাপট মহানন্দায়, সব দেখেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Updated on: Feb 10, 2026 | 9:52 PM

Share

সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নদী থেকে অবাধ বালি পাচার। মালদহের মহানন্দা নদীতে বালি মাফিয়াদের রমরমা কারবার। অভিযোগ, মালদহের চাঁচলের মহানন্দা নদীর বুক কেটে রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বালি উত্তোলন। দিনের পর দিন ভারী যন্ত্রপাতি ও কোদাল দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। বেআইনিভাবে। অথচ বৈধ ঠিকাদাররা কাজই করতে পারছেন না। চাঁচল ২ ব্লকের হোসেনপুর ও পুরাতন খান পুরের মহানন্দা নদীর ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বৈধ ঠিকাদাররা। তাঁদের দাবি,সমস্ত নিয়ম মেনে সরকারি অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তাঁরা নির্ধারিত ঘাটে কাজ করতে পারছেন না। অন্যদিকে, অবৈধ উত্তোলনের ফলে সরকারও বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি ঠিকাদারদের অভিযোগ, "নবান্ন থেকে সরকারি অনুমতি নিয়ে আমাদের সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কাজ করতে দিচ্ছে না। অথচ বেআইনিভাবে প্রকাশ্যে কিছু বালি মাফিয়া বালি তুলে নিয়ে যাচ্ছে।" অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে চাঁচলের মহকুমাশাসক ঋত্বিক হাজরা জানিয়েছেন, সরকারিভাবে বালি উত্তোলনের অনুমতি যাঁরা পেয়েছেন, তাঁরা অবশ্যই কাজ করতে পারবেন। সরকার রাজস্ব পাবে।

সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নদী থেকে অবাধ বালি পাচার। মালদহের মহানন্দা নদীতে বালি মাফিয়াদের রমরমা কারবার। অভিযোগ, মালদহের চাঁচলের মহানন্দা নদীর বুক কেটে রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বালি উত্তোলন। দিনের পর দিন ভারী যন্ত্রপাতি ও কোদাল দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। বেআইনিভাবে। অথচ বৈধ ঠিকাদাররা কাজই করতে পারছেন না। চাঁচল ২ ব্লকের হোসেনপুর ও পুরাতন খান পুরের মহানন্দা নদীর ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বৈধ ঠিকাদাররা। তাঁদের দাবি,সমস্ত নিয়ম মেনে সরকারি অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তাঁরা নির্ধারিত ঘাটে কাজ করতে পারছেন না। অন্যদিকে, অবৈধ উত্তোলনের ফলে সরকারও বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি ঠিকাদারদের অভিযোগ, “নবান্ন থেকে সরকারি অনুমতি নিয়ে আমাদের সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কাজ করতে দিচ্ছে না। অথচ বেআইনিভাবে প্রকাশ্যে কিছু বালি মাফিয়া বালি তুলে নিয়ে যাচ্ছে।” অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে চাঁচলের মহকুমাশাসক ঋত্বিক হাজরা জানিয়েছেন, সরকারিভাবে বালি উত্তোলনের অনুমতি যাঁরা পেয়েছেন, তাঁরা অবশ্যই কাজ করতে পারবেন। সরকার রাজস্ব পাবে।