কার্যত দুর্গ বঙ্গভবন, দিল্লিতে যা চলছে! ঘরের কাপড়ে ছুটলেন মমতা
মমতা জানান, বাংলা থেকে আসা ৫০ পরিবার এমন রয়েছে, যাঁরা বেঁচে রয়েছেন, কিন্তু তাঁদের মৃত দেখানো হয়েছে। ৫০ এমন রয়েছেন, যাঁদের পরিবারের কারোর এসআইআর-এর কারণে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দিল্লি পুলিশ বেছে বেছে তাঁদেরকেই হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ।
দিল্লির সামগ্রিক রাজনীতির নজর কেড়ে নিয়েছেন তিনিই। সকাল থেকে বঙ্গভবনের বাইরে দিল্লি পুলিশের অতি সক্রিয়তা, বাংলা থেকে যাওয়া ‘এসআইআর-এ ক্ষতিগ্রস্তদের’ হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাস্তায় নেমে আসা- সকাল থেকেই হেইল রোডে বঙ্গ ভবনে চড়ছে পারদ। সকাল থেকেই বঙ্গভবনের সামনে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একের পর এক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর চলে যান হেইলি রোডের পুরনো বঙ্গভবনের সামনেও। মোট ১৫০ লোক তিনি নিয়ে এসেছেন দিল্লিতে। তাঁরা কারা, তার পরিচয়ও এদিন সাংবাদিকদের সামনে দেন তিনি। মমতা জানান, বাংলা থেকে আসা ৫০ পরিবার এমন রয়েছে, যাঁরা বেঁচে রয়েছেন, কিন্তু তাঁদের মৃত দেখানো হয়েছে। ৫০ এমন রয়েছেন, যাঁদের পরিবারের কারোর এসআইআর-এর কারণে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দিল্লি পুলিশ বেছে বেছে তাঁদেরকেই হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ। আর সেই প্রসঙ্গে দিল্লির রাজপথে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘দিল্লিতে গরিবদের কোনও জায়গা নেই।’

