AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bankura: জঙ্গলমহলে বসে ৭২ কোটি টাকার প্রতারণা, তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

Bankura Cyber Crime: এই অপরাধ চক্রের সঙ্গে যুক্ত রানিবাঁধ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৪ জন, হিড়বাঁধ ব্লক থেকে ২ জন ও ওড়িশার বালেশ্বরের এক বাসিন্দাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের হেফাজত থেকে এই অপরাধের কাজে ব্যবহৃত ৩৪ টি ব্যাঙ্ক পাসবুক, ১৩ টি এটিএম কার্ড ও ৯ টি চেকবুক উদ্ধার হয়।

Bankura: জঙ্গলমহলে বসে ৭২ কোটি টাকার প্রতারণা, তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
ব্যাঙ্কিং প্রতারণার অভিযোগImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 31, 2026 | 5:35 PM
Share

বাঁকুড়া: দেশ জোড়া সাইবার অপরাধ চক্রের বড়সড় পর্দাফাঁস হল বাঁকুড়া জেলায়। দেশ জুড়ে হওয়া ৭২ কোটি টাকা সাইবার প্রতারণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ৭ জনকে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল থেকে গ্রেফতার করল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক ব্যঙ্ক পাসবুক, মোবাইল ফোন, ট্যাব, বহু স্ট্যাম্প ও বিপুল পরিমাণ আধার কার্ড উদ্ধার করেছে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ।

সম্প্রতি সাইবার ক্রাইম ন্যাশনাল পোর্টালের তরফে বাঁকুড়া জেলাকে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া কোটি কোটি টাকার সাইবার প্রতারণার একাংশ বাঁকুড়া জেলার একাধিক এটিএম থেকে লেনদেন করা হয়েছে বলে জানতে পারে ন্যাশানাল সাইবার ক্রাইমের তদন্তকারীরা। এবিষয়ে সতর্ক করা হয় বাঁকুড়া জেলা পুলিশকে। সতর্কবার্তা পেতেই এই চক্রের সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করার ব্যপারে তৎপর হয় বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের রানিবাঁধ ও হিড়বাঁধ ব্লকে ছড়িয়ে রয়েছে এই অপরাধ চক্রের জাল।

এরপরই এই অপরাধ চক্রের সঙ্গে যুক্ত রানিবাঁধ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৪ জন, হিড়বাঁধ ব্লক থেকে ২ জন ও ওড়িশার বালেশ্বরের এক বাসিন্দাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের হেফাজত থেকে এই অপরাধের কাজে ব্যবহৃত ৩৪ টি ব্যাঙ্ক পাসবুক, ১৩ টি এটিএম কার্ড ও ৯ টি চেকবুক উদ্ধার হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স মিলিয়ে মোট ১৪ টি পরিচয়পত্র, ৮ টি মোবাইল ফোন, ১ টি ট্যাব, ৪২ টি সিম কার্ড, ৩ টি ইউপিআই স্ক্যানার ও ১৫ টি ফ্ল্যাশ স্ট্যাম্প উদ্ধার হয়।

প্রতারণার বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের জন্য এই বিপুল সংখ্যক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, এটিএম কার্ড, ইউপিআই স্ক্যানার ব্যবহার করা হত বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সাইবার প্রতারণার ধরণ যেমন বোঝার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা তেমনই এই সাইবার প্রতারণা চক্রে আর কে বা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

Follow Us