
শালতোড়া (বাঁকুড়া): ভোটের শেষ বেলায় তপ্ত হতে পারে বাংলা। সেই আশঙ্কা আগেই করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মতো বাহিনীকে সতর্ক করেছিল। কয়েকটি জেলার নামও উল্লেখ করেছিল। সেই আবহের মধ্যেই বাঁকুড়ায় তৈরি হল উত্তেজনা। সেখানে বেশ কয়েকটি ইভিএম বোঝাই গাড়ি আটকে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন শালতোড়ার বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরি।
বৃহস্পতিবার বিকালে আচমকাই শালতোড়ার তিলুড়ির কাছে একটি বোলেরো গাড়িতে বেশ কিছু ইভিএম দেখতে পেয়ে গাড়িকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শালতোড়ার বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরি। নিজের সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে গোটা ঘটনার লাইভ করেন চন্দনা বাউরি। গাড়িতে ইভিএম ছাড়াও তৃণমূলের বেশ কিছু পতাকা ছিল বলে দাবি বিজেপি প্রার্থীর। তাঁর দাবি তৃণমূলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে বুথে ভোট হওয়া ইভিএম বদল করে রিসিভিং সেন্টারে জমা করার উদ্দেশেই ওই গাড়িতে করে ইভিএম নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছলে ইভিএম বোঝাই ওই গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি প্রার্থী চন্দনা। ঘটনাকে ঘিরে একই অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। সৌমিত্র খাঁ এই ঘটনার সঙ্গে প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশের যোগসাজসের অভিযোগ এনেছেন।
বিজেপি চন্দনা বাউরি বলেন, “আমি তো ময়দানে ছিলাম। বিভিন্ন বুথে বুথে যাচ্ছিলাম। কোথায় কী কী হচ্ছে তার সব কথা আমি জানাচ্ছিলাম অফিসারদের। আমাদের নির্বাচনী এজেন্ট একটি গাড়িকে আটকায়।”
ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন অবজারভার সহ নির্বাচনী আধিকারিক ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ। অবজারভারের দাবি, ওই ইভিএমগুলিতে কোনও ভোট নেওয়া হয়নি। রিজার্ভে থাকা ইভিএম গুলিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তারপরেও গোটা ঘটনার তদন্ত করে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট দেওয়ার আস্বাস দিয়েছেন অবজারভার।