WBBSE Madhyamik Result 2026: আরও মাস্টারমশাই-দিদিমণি চাই!সরকারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের আর্তি মাধ্যমিকে চতুর্থ রোমের

Bengal Madhyamik Class 10th Result 2026 in Bengali: বাঁকুড়া জিলা স্কুলের ছাত্র রোম। বাবা অভয় কর্মকার বাঁকুড়া জিলা স্কুলের শিক্ষক। মা আলপনা কর্মকার গৃহবধূ। নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোনও প্রাইভেট শিক্ষকও ছিল না। রোম জানিয়েছে, শিক্ষার মানোন্নয়ন করা উচিত। কারণ শিক্ষাই দেশের উন্নতিতে সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করে। পরিকাঠামোর উন্নতি করা উচিত। শিক্ষক নিয়োগ হওয়া উচিত ।"

WBBSE Madhyamik Result 2026: আরও মাস্টারমশাই-দিদিমণি চাই!সরকারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের আর্তি মাধ্যমিকে চতুর্থ রোমের
রোম কর্মকারImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

May 08, 2026 | 1:32 PM

বাঁকুড়া : প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফলাফল (Madhyamik Result 2026)। চলতি বছর পাশের হার সামান্য বেড়েছে। জেলার মধ্যে কালিম্পংয়ে পাশের হার সবথেকে বেশি। প্রথম দশে জায়গা করতে পারেনি কলকাতা। এবারও জেলার জয়জয়কার। মেধাতালিকায় মোট ১৩১ জনের নাম রয়েছে। তার মধ্য়ে চতুর্থ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বাঁকুড়ার রোম কর্মকার (Rome Karmakar)। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪। চিকিৎসক হওয়াই তার স্বপ্ন। ভবিষ্যতে সেই বিষয়েই পড়াশোনা করতে চায়। কিন্তু, এ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রোম। শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নতি চায় রোম।

রাজ্যে শিক্ষার উন্নতি চায় রোম

রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেই। অন্তত পূর্বতন সরকারের আমলে শিক্ষা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আর তাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে বহুবার। করোনার পর থেকে একাধিক সরকারি স্কুল বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু শিক্ষক নয়, সার্বিক উন্নত পরিকাঠামোর অভাবেও স্কুলগুলি বন্ধ রয়েছে। যা ভাবাচ্ছে বছর পনেরো-ষোলো-র মেধাবী ছাত্র রোম কর্মকারকে। তাই নতুন সরকারের কাছে তাঁর আবেদন শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন। এই বিষয়ে রোম বলছে, ” শিক্ষার মানোন্নয়ন করা উচিত। কারণ শিক্ষাই দেশের উন্নতিতে সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করে। পরিকাঠামোর উন্নতি করা উচিত। শিক্ষক নিয়োগ হওয়া উচিত ।”

রোমের সাফল্যের চাবিকাঠি কী?

বাঁকুড়া জিলা স্কুলের ছাত্র রোম। বাবা অভয় কর্মকার বাঁকুড়া জিলা স্কুলের শিক্ষক। মা আলপনা কর্মকার গৃহবধূ। নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোনও প্রাইভেট শিক্ষকও ছিল না। তবে, রেজাল্ট ভালো হবে, সেই বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। রেজাল্ট নিয়ে সে বলে, “পরিশ্রম করেছিলাম। তার সাফল্য পেলাম। এরকমই নম্বর আশা করেছিলাম। পরীক্ষা ভালো হয়েছিল। সকাল থেকে রুটিন করে পড়তে বসতাম। প্রশ্ন-উত্তর প্র্যাকটিস করতাম। নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোনও শিক্ষক ছিল না। স্কুলের শিক্ষকরা সাহায্য করেছেন। পরে টিউশন শিক্ষক নিয়েছিলাম।” মন দিয়ে পড়াশোনা করলেই পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়া যায়। সেরকমই টিপস দিচ্ছে রোম। সে আরও জানিয়েছে, আগামী দিনে মেডিকেল নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়। তবে, অবসর সময়ে খেলা দেখতে, ছবি আঁকতে ভালো লাগে রোমের।

মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখে নিন এক ক্লিকে-

 

Follow Us