
সোনামুখী: সোনামুখী থানার চকাই গ্রামে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুলি চালানোর ঘটনায় এক জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম বকুল খান। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সেকেন্দার খানের সহযোগী হিসাবে কাজ করেছিল বকুল খান। ধৃতকে এদিন বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনায় চূড়ান্ত অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব।
পঞ্চায়েতের নিকাশি নালা তৈরি করা নিয়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সোনামুখী থানার চকাই গ্রাম। গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূলের স্থানীয় বুথ সভাপতি নাসিম শেখ। গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মী সেকেন্দার খানের বিরুদ্ধে। রাতেই সেকেন্দার ও তাঁর ৩ সহযোগীর বিরুদ্ধে সোনামুখী থানার হামলার অভিযোগ দায়ের করেন গুলিবিদ্ধ বুথ সভাপতি নাসিম শেখের ভাই।
সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয়ে আপাতত বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন মূল অভিযুক্ত সেকেন্দার। পুলিশ গ্রেফতার করেছে সেকেন্দারের সহযোগী বকুল খানকে। ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যেই একটি ওয়ান শর্টার বন্দুক ও এক রাউন্ড কার্তুজের খোল উদ্ধার করেছে পুলিশ। গুলি চালানোর ক্ষেত্রে যে বন্দুক ব্যবহার করা হয়েছিল তা কোথা থেকে এসেছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্য দুই অভিযুক্তর খোঁজেও তল্লাশি শুরু হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পরই চূড়ান্ত অস্বস্তিতে পড়েছে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। নেতাদের সাফাই, আইন আইনের পথেই চলবে।
সেকেন্দারের কঠোরতম শাস্তির দাবীতে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকেই এলাকায় দাদাগিরি চালাতো অভিযুক্ত সেকেন্দার ওরফে সাইন। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলতো সেকেন্দার। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও দাদাগিরি করতো বলে অভিযোগ।