
বীরভূম: দুর্ঘটনা নয়, আগুন লাগানো হয়েছিল। রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের পুড়ে যাওয়া বাড়ি ও অকুস্থল পরিদর্শনের পর জানাল সিট। প্রাথমিক তদন্তের পর সিটের আধিকারিক সঞ্জয় সিং স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছিল। কারা লাগিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হবে। সিট জানিয়েছে, ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত প্রত্যেককেই গ্রেফতার করা হবে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা এই গ্রাম ও পাশের গ্রামের বাসিন্দা। প্রত্যেকেই পুরুষ। জানিয়ে দিলেন সিট অধিকর্তা। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই। শর্ট সার্কিটের জেরে আগুন। সেই তত্ত্ব প্রথমেই খারিজ করে দিল সিট।
তবে ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য। ঘটনার পরই তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইট করেছিলেন, এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নেই।
এরপরই রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যকে সাংবাদিক বৈঠক করতে দেখা গেল। তিনিও জানিয়েছিলেন, এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নেই। যদিও তখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি সিট। আর এর তারপরই ফের সাংবাদিক বৈঠক করে কুণাল ঘোষ বলেন, “এর পিছনে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।”
ঘটনার নেপথ্যের কারণ নিয়ে বক্তব্য বদলাচ্ছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের। বগটুই গ্রামে যান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও। তিনি কথা বলেন উপপ্রধানের পরিবারের সঙ্গে। পুলিশের তরফ থেকে গোটা এলাকায় ঘিরে রাখা হয়েছে। ঠিক কতগুলি বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছিল, তা ঘুরে দেখেন ফিরহাদ। তবে সাংবাদিকদের সামনে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
আরও পড়ুন: কেন অনুব্রত বলছেন ‘শট সার্কিট’? রামপুরহাট-কান্ডে এবার মামলা হাইকোর্টে