AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Asish Banerjee Death: ‘রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত একসঙ্গে বসে গল্প করেছি, আশিসদাকে দেখে কিচ্ছু বোঝা যায়নি’, বলছেন ভাই

Asish Banerjee death reactions: আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই আরও বলেন, "সকালে দেখা গেল যে দরজায় ফাঁক ছিল। সেখান থেকে দেখা গেল একটা দড়ি ঝুলছে। তখনই একটু সন্দেহ হল। ডাকাডাকি করা হল। কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। তারপর দরজা খুলে দেখা গেল ঝুলন্ত দেহ। সবাইকে ডাকাডাকি করা হল।"

Asish Banerjee Death: 'রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত একসঙ্গে বসে গল্প করেছি, আশিসদাকে দেখে কিচ্ছু বোঝা যায়নি', বলছেন ভাই
আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 16, 2026 | 11:22 AM
Share

রামপুরহাট: শনিবার রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত একসঙ্গে বসে গল্প করেছিলেন। তখনও দাদাকে (Asish Banerjee) দেখে কিছু বুঝতে পারেননি ভাই প্রশান্ত। প্রতিদিনের মতো কত রাত পর্যন্ত আড্ডা হয়েছে। হাসিমুখেই ছিলেন দাদা। তারপর আজ সকালে এরকম ঘটনা। স্বাভাবিকভাবেই মানতে পারছেন না ভাই প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথা থেকে কী হয়ে গেল বুঝতে পারছেন না তিনি।

কী বলছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই?

রবিবার সকালে বাড়ির লাগোয়া পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয় প্রাক্তন মন্ত্রী ও প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ। একটি সুইসাইড নোটেও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। এদিকে, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই জানাচ্ছেন, শনিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পার্টি অফিসেই ছিলেন। পতাকা উত্তোলন করেন। সারাদিন ধরে নানা লোকজন আসছিলেন। কথাও বলছিলেন তাঁদের সঙ্গে। খোশ মেজাজেই ছিলেন। তারপর রাত প্রায় পৌনে ১২টা পর্যন্ত একসঙ্গে গল্পও করেন তাঁরা। প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “আমার সঙ্গে প্রায় পৌনে ১২টা পর্যন্ত গল্প হয়েছে। প্রতিদিনই গল্প করতে বসতাম। আরও বেশি কিছু লোকজন আসত আশিসদার কাছে। কিচ্ছু বোঝা যায়নি। স্বাভাবিক কথাবার্তাই বলেছিলেন।”

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই আরও বলেন, “সকালে দেখা গেল যে দরজায় ফাঁক ছিল। সেখান থেকে দেখা গেল একটা দড়ি ঝুলছে। তখনই একটু সন্দেহ হল। ডাকাডাকি করা হল। কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। তারপর দরজা খুলে দেখা গেল ঝুলন্ত দেহ। সবাইকে ডাকাডাকি করা হল। পুলিশকেও খবর দেওয়া হল। কী থেকে যে কী হয়ে গেল।” তিনি আরও দাবি করেন, “আশিসদাকে দেখে বোঝা যেত না যে কোনও মানসিক অবসাদ ছিল। হয়তো ভিতরে ভিতরে কষ্ট পাচ্ছিলেন। সেটা তো বহিঃপ্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই থাকতেন।”

এলাকার মানুষের কী বক্তব্য?

এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, “সকালবেলাতেই খবর পেলাম অস্বাভাবিক মৃত্যু। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। এভাবে চলে যাবে ভাবিনি। খুবই দুঃখজনক ঘটনা। বলার কিছুই নেই।”

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রামপুরহাট থানার পুলিশ। সকালেই বাড়িতে পৌঁছন পুলিশ সুপার। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন কি না তা জিজ্ঞাসা করেন পুলিশ সুপার। বাড়িতে কোনও সমস্যা চলছিল কিনা সেই বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে জানা গিয়েছে।

Follow Us