Triple Murder: ‘ট্রিপল মার্ডারে’ বড় সাফল্য পুলিশের, নেপথ্যে পরকীয়াই! বন্ধুর বাড়িতে লুকিয়েও ধরা পড়ে গেল ‘খুনি’ প্রেমিক
Triple Murder: জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানান ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বাড়ি মল্লারপুর থানা এলাকায়। লক্ষ্মীর সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল নয়নের। খুনের পর সুনীলের কাছে চলে গিয়েছিল নয়ন। সেই তাঁকে আশ্রয় দেয়।

সিউড়ি: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মহম্মদবাজারে খুনের কিনারা। গ্রেফতার মৃতার প্রেমিক নয়ন বিত্তার। তাঁর বাড়ি মল্লারপুর থানা এলাকার মাঠমহুলায়। প্রসঙ্গত, একদিন আগেই বীরভূমের মহম্মদবাজার থেকে দুই শিশু সহ মায়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ট্যাংরার হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন শোরগোল চলছে তখন এই ঘটনা নতুন করে চাপানউতোর তৈরি করেছিল গোটা রাজ্যে। যদিও ঘটনার পরেই জোরদার অ্যাকশনে নামে পুলিশ।
নয়ন বিত্তারের পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর সঙ্গী সুনীল মীর্ধাকেও। অভিযুক্তকে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সে মল্লারপুর থানা এলাকার বোলগাছির বাসিন্দা। এছাড়া আরও দু’জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে নয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মৃত লক্ষ্মী মাডডি মোবাইলও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানান ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বাড়ি মল্লারপুর থানা এলাকায়। লক্ষ্মীর সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল নয়নের। খুনের পর সুনীলের কাছে চলে গিয়েছিল নয়ন। সেই তাঁকে আশ্রয় দেয়। গোটা ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশের তরফ থেকে ৮ জনের একটি স্পেশ্যাল টিম তৈরি করা হয়েছে। নয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার দিন রাতে সে ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল। কথাবার্তার মধ্যেই খুন করে মহিলাকে। নয়ন ও সুনীলকে মল্লারপুরের দিয়ারা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রাম থেকেই লক্ষ্মীর মোবাইলটিও উদ্ধার হয়।
এদিকে এরইমধ্যে আবার মহম্মদবাজার থানার ওসি অরূপ কুমার দত্তকে সরানো হল। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নিলেন তাপাই বিশ্বাস৷ তিনি রামপুরহাটে পোস্টিং ছিলেন। সেখান থেকে মহম্মদবাজার থানায় পাঠানো হল। পুলিশের দাবি এটা রুটিন বদলি।
