
শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তীর রিপোর্ট
বীরভূম: বাংলার ভোটে সর্বকালীন রেকর্ড। ২০১১ সালের রেকর্ডও ভেঙে দিল ২০২৬। শেষ পাওয়া আপডেটে জানা যাচ্ছে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১ শতাংশেরও বেশি। সেখানে ২০১১ সালে অঙ্কটা ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। যা স্বাধীনতার পর থেকে রাজ্যে ছিল সর্বোচ্চ ভোট। এবার যেন সব হিসাব ওলট-পালট হয়ে গেল। আর তাতেই যেন আত্মবিশ্বাসটা আরও বেড়ে গেল অনুব্রত মণ্ডলের। সাফ বললেন, এই ধরনের পোল আমি জীবনে দেখিনি।
সোজা কথায় ভোটের আগেও করেছিলেন, প্রথম দফার ভোটের পরেও করলেন একই দাবি। ২৪০ ছুঁইছুঁই হবে তৃৃণমূলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা। ফের একবার সুর চড়ালেন এসআইআর নিয়ে। বললেন, “অন্যায়ভাবে বয়স্ক মানুষদের এসআইআরের লাইনে দাঁড় করিয়েছিল। এসআইআরে মানুষকে যা বেগ দিয়েছে তা এবারের ভোটে আল্লাহ-ঈশ্বর বিচার করে দেবে।”
এদিকে প্রথম দফার ভোটের মাঝেই বাংলায় এসে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সাফ বলছেন, “এটাই প্রথম এমন নির্বাচন যা গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে।” অনুব্রত মণ্ডল যদিও বলছেন, “এবারে ভোটের ফলে তৃণমূলের জন্য কোনও চাপ হবে না। এই ধরনের পোল আমি জীবনে দেখিনি। আগে বলেছিলাম ২৩০ থেকে ২৩৫। কিন্তু এই পোল হবে আশা করিনি। তা দেখেই মনে হচ্ছে ২৪০ না হয়ে যায়। যে জায়গাগুলিতে ৭০ শতাংশের বেশি পোল হতো না সেখানে ৮৭ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পোল হয়েছে। এটা কী ভাবা যায়!”
অন্যদিকে বীরভূমে কোন কোন আসনে তৃণমূল সবথেকে বেশি আসন পাবে তাও বলে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর সাফ কথা, বীরভূমের ১১টার আসনের মধ্যে নলহাটি আর মুরারইতে তৃণমূল সবথেকে বেশি ভোট পাবে। এই দুই আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৯১.৯১ শতাংশ ও ৯১.৬৬ শতাংশ।