
আলিপুরদুয়ার: বেশিরভাগ বুথফেরত সমীক্ষায় এগিয়ে রাখা হয়েছিল বিজেপিকে। সোমবার ভোট গণনার শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত যে ট্রেন্ড এসেছে, তাতে সরকার গড়ার দিকে এগিয়ে পদ্ম শিবির। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গেরুয়া আবির খেলায় মেতেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানালেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা। কেন হঠাৎ কমিশনকে ধন্যবাদ জানালেন তিনি? কী বললেন?
কমিশনের প্রশংসায় বিজেপি সাংসদ-
এদিন কয়েক রাউন্ড গণনার পর বিজেপি এগিয়ে যেতেই বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, “প্রথমে নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমবার বাংলায় এমন ভোট হয়েছে, যেখানে কেউ মারা যাননি। কোনও মায়ের কোল খালি হয়নি। কোথাও বোমাবাজি হয়নি। একবিন্দু রক্ত ঝরেনি। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিয়েছেন। তার ফলে আজকে এই জায়গাতেই পৌঁছতে পেরেছি।”
এরপরই গত কয়েক দশক ধরে বাম ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে বিজেপি সাংসদ বলেন, “বাম আমলে মানুষ নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি। বামেরা কোনওদিন ভোট দিতে দেয়নি। সেই পথে হেঁটে গত ১৫ বছর সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়েছে তৃণমূল। মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তাই তারা বারবার জিতছিল। আজকে মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। আলিপুরদুয়ার জেলায় বিজেপি ৫টি আসনই পাবে। সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ঐতিহাসিক জয় পেতে চলেছে বিজেপি।”
কী বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
ট্রেন্ড বিজেপির পক্ষে গেলেও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এদিনও ভিডিয়ো বার্তা দলের কর্মীদের উজ্জীবিত করে তিনি বলেন, “ক্যান্ডিডেটরা ও এজেন্টরা এলাকা ছেড়ে আসবেন না। স্ট্রং রুম, যেখানে কাউন্টিং হচ্ছে, সেটা ছেড়ে কেউ আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আগেই বলেছিলাম, প্রথম ২-৩ রাউন্ডে ওদেরগুলো আগে দেখাবে। ১০০টা জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। সেন্ট্রাল ফোর্সকে দিয়ে চারদিকে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে, অফিস ভাঙছে।”