
কোচবিহার: বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে পরিবর্তন যাত্রা করছে বিজেপি। রবিবার কোচবিহারে রাসমেলা ময়দানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। শিক্ষা থেকে চাকরি দুর্নীতি, কাটমানি, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, সর্বোপরি অনুপ্রবেশকারী-ইস্যু সবই ছুঁয়ে গেলেন নীতিন। কেন বাংলায় বিজেপি সরকার আনা প্রয়োজন, তারও ব্যাখ্যা দিলেন। কী বললেন দেখুন একনজরে…
অনুপ্রবেশকারী ইস্যু
নীতিন: যে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় স্থান দেওয়া হয়েছিল, তাদেরকে এখন বাংলা থেকে বার করে দেওয়ার সময় এসেছে। কালী পুজোর জন্যও আদালতের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু নমাজের সময়ে সত্বন্ত্রতা ছেড়ে দেওয়া হয়। এটাতেই স্পষ্ট, এখানে কী হচ্ছে। বাংলাকে তুষ্টিকরণের মানসিকতা থেকে মুক্তি দিতে হবে। বাংলার জমি ফেন্সিংয়ের জন্য চাওয়া হয়, তখন জমি থাকে না। কিন্তু এখানে যদি বলা হত, তুষ্টিকরণের রাজনীতির জন্য জমি লাগবে, তাহলে রেড কার্পেট বিছানো থাকত।
অনুপ্রবেশকারীদের জন্যই বঙ্গবাসীদের অধিকার খর্ব
নীতিন: অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য মাঝ রাতে সুপ্রিম কোর্টের দরজায় যাওয়া যেতে পারে, কিন্তু এখানকার মা-বোনেদের ওপর যখন অত্যাচার হয়, তখন ঘুমোয় প্রশাসন। সে সময়ে কোনও চিন্তা থাকে না। ৫০ লক্ষের বেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। প্রশাসন মেনেছে, অনুপ্রবেশকারীরা ভারতীদের অধিকার খর্ব করছিল। কাদের কাদের চাকরি খেয়েছে।
কাটমানি
নীতিন: সরকারি যে কোনও প্রকল্পের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। বিহারে জীবিকার প্রকল্প চলে। ১০ হাজার টাকা ১ কোটি মহিলাকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ বলতে পারবে না, ১ টাকাও দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূল নেতারা প্রকল্পের টাকা থেকে কাটমানি নিতে বাড়ি পৌঁছে যান।
বন্দে মাতরম ইস্যু
নীতিন: তৃণমূলের সাংসদ সংসদে বন্দে মাতরম গান থামান। বন্দে মাতরমের অপমান তৃণমূলের সাংসদ করে। বন্দে মাতরম ধ্বনি বাংলাকে স্বাধীনতা দেবে এবার। (প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন নিয়ম জারি করেছে সরকার। নয়া নিয়মের অধীনে জাতীয় সঙ্গীতের আগেই বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। এই সময়ে বন্দে মাতরম গাওয়ার সময় সবাইকে বাধ্যতামূলক ভাবে দাঁড়াতে হবে বলে জানানো হয়েছে। সাংসদে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ৬টি স্তবক পাঠ নিয়ে আপত্তি জানান।)
ভোটের ফলেই হোলির রং
বাংলা থেকে তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতে হবে। আমরা ৪ তারিখ একবার হোলি উদযাপন করব, আরেকবার ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পর আমরা জয়ের হোলির খেলব।