
মাথাভাঙা: ভোট দিতে গিয়েছিলেন। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো গেল না যুবতীকে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের মাথাভাঙায়। মৃত যুবতীর নাম কোয়েল বর্মণ। বছর একুশের যুবতীর মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। কোথা থেকে কী ঘটে গেল, বুঝতে পারছেন না তাঁরা।
এদিন মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের শিকারপুর অঞ্চলের মোহনপুরে ৮৫ নম্বর বুথে ভোট দিতে এসেছিলেন কোয়েল বর্মণ নামে ওই তরুণী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা। ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে পড়েন যুবতী। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা যুবতীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে।
কী বলছেন মৃত যুবতীর মা?
মেয়ের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন কোয়েলের মা স্বপ্না বর্মণ। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, “হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসক বললেন, মেয়ে আমার নেই। আমি বুঝতে পারিনি। মেয়ে আমার কোলেই ঘুমিয়ে পড়েছিল। আমি মেয়ের সঙ্গেই গিয়েছি। আমি মেয়েকে ছোটবেলা থেকে কখনও একা ছাড়িনি। কোথা থেকে কী হয়ে গেল, বুঝতে পারছি না। মেয়েকে ছাড়া আমি এখন কী করব।” মেয়ের মৃত্যুর খবর প্রশাসনকে এখনও জানানো হয়নি বলে তিনি জানান।
এদিনই আবার বাঁকুড়াতে ভোটাধিকার প্রয়োগের পর এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। বুথে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের পরেই মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। এদিন বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার কোতুলপুর বিধানসভার জয়পুর ব্লকের উপ জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫১ নম্বর বুথে। মৃতের নাম কাসেম চৌধুরী। বাড়ি জয়পুর ব্লকের কাশিচটা গ্রামে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধমক চমকেই ওই ব্যক্তির হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই অভিযোগেই বুথের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।
ভোটের যাবতীয় খবর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
LIVE TV দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন