AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Balurghat: ‘ওর জন্যই আমার জীবনটা শেষ হয়ে গেল…’, শেষ ভিডিয়োতে সবটা বলেছেন বালুরঘাটের যুবক

অভিযোগ, স্ত্রী এক যুবকের সঙ্গে সম্প্রতি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই যুবকের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখেছিলেন স্বামী। এই নিয়েই অশান্তি বাঁধে বলে দাবি যুবকের পরিবারের। এরপর মালদহ থেকে অশান্তি করে স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যান। গত ১৭ জুলাই ওই যুবক বাপের বাড়িতে স্ত্রীকে আনতে গিয়েছিলেন।

Balurghat: 'ওর জন্যই আমার জীবনটা শেষ হয়ে গেল...', শেষ ভিডিয়োতে সবটা বলেছেন বালুরঘাটের যুবক
শেষ ভিডিয়োবার্তাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 24, 2026 | 9:05 AM
Share

বালুরঘাট: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে স্ত্রী। তা জানতে পেরেই প্রতিবাদ করেছিলেন স্বামী। এরপরই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। সেই অশান্তির জেরে বাপের বাড়িতে চলে যান স্ত্রী। তাঁক বুঝিয়ে বাড়ি ফেরাতেই শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন জামাই। সেখান থেকে আর ফেরা হল না। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে।

গোপাল মাহাতো নামে বছর ৩১-এর যুবকের আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রী ও শাশুড়ির হাতে জুটেছে মার। এরপরই ওই যুবক কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বালুরঘাটের মালঞ্চা আশ্রমপাড়া এলাকায়।

যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় বালুরঘাট থানার দ্বারস্থ হয়েছে পরিবার। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী, শাশুড়ি, শ্বশুর ও স্ত্রী’র প্রেমিক সহ আরও অনেকের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত যুবকের পরিবার। বালুরঘাট থানার পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ওই যুবকের নাম গোপাল মাহাতো (৩১)। তাঁর বাড়ি বালুরঘাটের মালঞ্চা আশ্রমপাড়া এলাকায়। প্রায় সাত বছর আগে চিঙ্গিশপুর গ্রামের এক যুবতীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ওই যুবক আগে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন। তবে সম্প্রতি মালদহে একটি হোটেলে কাজ শুরু করেন। সেখানেই স্ত্রী গিয়ে মাঝেমধ্যে থাকতেন। তাঁদের এক পুত্র সন্তানও রয়েছে।

অভিযোগ, স্ত্রী এক যুবকের সঙ্গে সম্প্রতি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই যুবকের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখেছিলেন স্বামী। এই নিয়েই অশান্তি বাঁধে বলে দাবি যুবকের পরিবারের। এরপর মালদহ থেকে অশান্তি করে স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যান। গত ১৭ জুলাই ওই যুবক বাপের বাড়িতে স্ত্রীকে আনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, শ্বশুর বাড়িতেই স্ত্রী এবং শাশুড়ি মিলে মারধর করে তাঁকে।

বাড়ি ফিরে ওই দিনই যুবক কীটনাশক খেয়ে ফেলেন। এরপর পরিবারের লোকেরা তাঁকে উদ্ধার করে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। ওই যুবক হাসতালেই স্ত্রীর পরকীয়া ও শ্বশুরবাড়িতে মারধরের কথা জানান আত্মীয়দের। মোবাইলে সেই বক্তব্য রেকর্ড করেন আত্মীয়রা। বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়। এরপরই আত্মহত্যায় প্ররোচণা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

Follow Us