Abhishek Banerjee: ‘বাংলা বলায়’ গ্রেফতার, বাড়ি ফিরেই অভিষেককে ধন্যবাদ জানালেন বিজেপির ‘বুথ সহ-সভাপতি’
TMC Helps BJP Migrant Worker: তবে সেই ওই পরিযায়ী শ্রমিক এখন বাড়ি ফিরেছেন। অভিষেকের কথায়, 'মহারাষ্ট্রের নিম্ন আদালতে লড়াই করে গৌতম বর্মনকে যে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে তার নাম হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।' প্রায় দীর্ঘ সাড়ে ছয় মাস পর জেল মুক্তি হয়েছে গৌতমের।

গঙ্গারামপুর: ‘বাংলা বলায়’ গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। শুক্রবার বারুইপুরের সভা মঞ্চ থেকে ভিন রাজ্য়ে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের কথা তুলে ধরেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মহারাষ্ট্রে কাজে গিয়ে ওই পরিযায়ী শ্রমিক বাংলাদেশি সন্দেহে গ্রেফতার হয়েছিলেন বলেই দাবি তাঁর। নাম গৌতম বর্মন।
তবে সেই ওই পরিযায়ী শ্রমিক এখন বাড়ি ফিরেছেন। অভিষেকের কথায়, ‘মহারাষ্ট্রের নিম্ন আদালতে লড়াই করে গৌতম বর্মনকে যে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে তার নাম হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।’ প্রায় দীর্ঘ সাড়ে ছয় মাস পর জেল মুক্তি হয়েছে গৌতমের। গত সোমবার নিজের পরিবারের মুখ দেখেছেন তিনি। তারপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গৌতম। এদিন তিনি বলেন, ‘ওনাকে অনেক ধন্যবাদ। সুকান্ত মজুমদার কিছুই করেননি। ওনার কাছে আমার স্ত্রী দ্বারস্থ হয়েছিলেন।’
আপাতত গৌতমের ফিরে আসা ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। গৌতম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের উদয় গ্রাম পঞ্চায়েতের পুলিন্দার বাসিন্দা। তবে এটাই তাঁর একমাত্র পরিচয় নয়। তাঁর রয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়ও। তিনি বিজেপি কর্মী। বিজেপির বুথ সহ-সভাপতিও। সেই সূত্র ধরেই গৌতম যখন গ্রেফতার হন, সেই সময় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রীর কাছে দ্বারস্থ হয়েছিলেন গৌতমের স্ত্রী কাঞ্চন বর্মন।
এদিন তিনি বলেন, ‘সুকান্ত মজুমদার দেখা করেছিলেন। বলেছিলেন, কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু কিছু দিন পর জানান, উনি নাকি চেষ্টা করেছেন। এদিকে কোনও লাভ হয়নি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ই আমার স্বামীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন।’ এই নিয়ে বারুইপুরের সভা থেকেই বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, ‘ মহারাষ্ট্রের সরকার বিজেপি, বালুরঘাটের সাংসদ বিজেপির। তাও একটা ফোন করে বলতে পারেন না এরা আপনার এলাকার লোক। জোর করে বাংলাদেশি বলা হয়েছে।’
অবশ্য, গৌতম বর্মনকে ঘিরে কোনও অস্বস্তি ব্যক্ত করছে না বিজেপি। গৌতম বর্মন যে বুথ সহ-সভাপতি সেটাও অস্বীকার করেছেন দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। তাঁর দাবি, ‘আমি খোঁজ নিয়েছিলাম। কিন্তু উনি কোনও দিন আমাদের বুথ সহ-সভাপতি ছিলেন না। হয়তো তৃণমূল এই সহ-সভাপতি তৈরি করেছে।’
