
শিলিগুড়ি: মোদী আসার আগেই আদালতে অন্তর্বর্তী জামিন নিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা দলীয় প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। গত ৬ এপ্রিল পুলিশকে ধমকের জেরে দায়ের হয়েছিল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। পুলিশের দায়ের করা সেই মামলাতেই এদিন শিলিগুড়ি আদালতে জামিন নিলেন শঙ্কর। জয়ের বিষয়ে যে তিনি আত্মবিশ্বাসী তা ফের একবার সোচ্চারে বললেন শঙ্কর। প্রত্যের সুরেই বলেন, “উত্তরে ৪৫টি আসনই আমাদের লক্ষ্য। আগামী শনিবার শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর রাত্রিযাপন, রবিবার কাওয়াখালিতে প্রধানমন্ত্রীর সভা আছে। তাতে লক্ষ মানুষ যোগ দেবেন৷ পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে মামলা করেছিল। তাই আগাম জামিন নিয়েছি। আমরা আমাদের লক্ষ্যে এগোচ্ছি।”
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে এক মহিলা বিজেপি কর্মীর বাড়িতে তদন্তে গিয়ে প্রার্থীর ধমক খেয়ে ফিরতে হয় পুলিশকে। সেই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও বিস্তর চাপানউতোর হয়। তৃণমূল বনাম বিজেপি দু’তরফেই অন্যের বিরুদ্ধে পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ চালাতে থাকে। ধরনাতেও বসেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব। পাল্টা একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ দেখান রাতের অন্ধকারে এক শাসক কাউন্সিলরের মেয়ে, জামাই বিজেপির পতাকা খুলে ফেলে দিচ্ছেন। দু’তরফেই পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। বিজেপি বলছে, তাঁদের অভিযোগ নিয়ে পুলিশ কিছু করেনি। কিন্তু গৌতমের অভিযোগ পেয়ে দু’ ভ্যান সাদা পোশাকের পুলিশ নিয়ে পানি ট্যাঙ্কি ফাঁড়ির ওসি পৌঁছান এক মহিলা বিজেপি কর্মীর বাড়িতে।
খবর পেয়ে সেখানে পুলিশকে ঘেরাও করেন শঙ্কর। ওসিকে ধমকও দেন। কোন প্রমাণের ভিত্তিতে মহিলা বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে সাদা পোশাকের পুলিশ এল? নোটিশ কোথায়? তোলেন প্রশ্ন। প্রায় এক ঘন্টা ঘেরাও হয়ে থাকেন ওসি-সহ পুলিশ কর্মীরা। তারপরই এফআইআর দায়ের করেছিল পুলিশ। তখন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শঙ্কর বলেছিলেন, “ধমক-চমক দিতেই পুলিশ বেআইনিভাবে ওই মহিলা সমর্থকের বাড়িতে গিয়েছিল। প্রমাণ দেখাতে পারেনি ওই মহিলার বিরুদ্ধে। শাসকের হয়ে এসব করতে গিয়েই আমাদের চাপে পিছু হটেছে পুলিশ। আমি কমিশনে সব জানিয়েছি।”