AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

One Day Durga Puja: জঙ্গলে পথ হারিয়ে কাঁদছিলেন এক মহিলা, রাতে তিনিই ধরেন ‘অন্য রূপ’! একদিনের দুর্গাপুজো হয় এখানে…

Durga Puja 2026: দেবী এখানে মহিষাসুরমর্দিনীর ভূমিকায় নয়, সাধারণ নারী রুপী। তাই এখানে দেবী দুর্গা দ্বিভুজা এবং দেবী দুর্গা সিংহের বদলে বাঘের উপর অধিষ্ঠিতা। দেবীর সঙ্গে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গনেশও থাকেন। কিন্তু এই মূর্তিতে অসুর থাকে না।

One Day Durga Puja: জঙ্গলে পথ হারিয়ে কাঁদছিলেন এক মহিলা, রাতে তিনিই ধরেন 'অন্য রূপ'! একদিনের দুর্গাপুজো হয় এখানে...
দেবী দুর্গা এখানে মা ভান্ডানি হিসাবে পূজিত হন।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Oct 22, 2026 | 4:38 PM
Share

জলপাইগুড়ি: চারদিন নয়, একদিনের দুর্গাপুজো। শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই তিস্তার অপর পার মাতলো একদিনের দুর্গাপুজোয়। একাদশী তিথিতে ময়নাগুড়ি মাতে দেবী ভান্ডানীর পুজোয়।

জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ উল্লাডাবরি গ্রামে বড় ভান্ডানিতে থাকা ভান্ডানী মন্দিরে দেবী দুর্গা পূজিত হন ভান্ডানী রুপে।

কথিত আছে, বৈকন্ঠপুর রাজবাড়ি ছেড়ে দেবী দুর্গা যখন তার সন্তানদের নিয়ে কৈলাশে ফিরে যাচ্ছিলেন, সেই সময় তিস্তা পারের ঘন জঙ্গলে পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন। পথ হারিয়ে তিনি সাধারণ এক নারীর রূপ ধরে জঙ্গলের একটি গাছতলায় বসে কাঁদছিলেন। ওই সময় এক রাখাল গরু চড়িয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি এক নারীকে কাঁদতে দেখে তাঁকে রাতে নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেন।

মধ্যরাতে দেবী তাঁর আসল মূর্তি ধারণ করেন। তিনি রাখালকে বলেন, “তুই আমাকে আশ্রয় দিয়েছিস। আমি তুষ্ট। বল, তুই কী বর চাস?”। তখন রাখাল বলেন, “মা জঙ্গলে আমরা চাষ করতে পারিনা। তাই আমাদের খুব খাদ্যকষ্ট। এই এলাকাকে তুমি শষ্য-শ্যামলা করে দাও।” দেবী তুষ্ট হয়ে বর দেন। পরদিন সকাল থেকেই তিস্তা অপর পার শস্য-শ্যামলা হয়ে ওঠে। সেই থেকে পাঁচ শতাধিক বছরের বেশি সময় ধরে ময়নাগুড়ির বড় ভান্ডানী গ্রামের মন্দিরে একাদশীর দিনে ভান্ডারী রুপে দেবী দুর্গার একদিনের দুর্গা পুজো হয়ে আসছে।

দেবী এখানে মহিষাসুরমর্দিনীর ভূমিকায় নয়, সাধারণ নারী রুপী। তাই এখানে দেবী দুর্গা দ্বিভুজা এবং দেবী দুর্গা সিংহের বদলে বাঘের উপর অধিষ্ঠিতা। দেবীর সঙ্গে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গনেশও থাকেন। কিন্তু এই মূর্তিতে অসুর থাকে না।

এই একদিনের পুজোকে ঘিড়ে ময়নাগুড়ির ভান্ডানী এলাকায় প্রতি বছর লাখো লাখো মানুষের ঢল নামে। রাতভর চলে পুজো। সঙ্গে মেলাও বসে। কয়েকশো পাঠা ও অগুন্তি পায়রা বলি হয়। পুজোয় কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ ও র‍্যাফ। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখো মানুষ আসেন। মানস করেন। মনস্কামনা পূর্ণ হলে ফের পুজো দিতে আসেন।

Follow Us