AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Suvendu on Petrol-Diesel: পেট্রল-ডিজেল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দু-সরকারের

মধ্য প্রাচ্যের অশান্তির জেরে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই পেট্রল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাস নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার কৌশলগত ভাবে চেষ্টা করছে যাতে দেশে জ্বালানির ঘাটতি না হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি ব্যবহার না করতে।

Suvendu on Petrol-Diesel: পেট্রল-ডিজেল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দু-সরকারের
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রীImage Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Jun 28, 2026 | 12:03 PM
Share

কলকাতা: কন্টেনারে ভরা যাবে জ্বালানি। তবে তা অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রে। এবার থেকে কন্টেনারে তেল ভরতে পারবেন কৃষক-চা শ্রমিকরা। আম জনতার স্বার্থে বড় সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)।

মুখ্যমন্ত্রী কী লিখেছেন?
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “সাম্প্রতিক কন্টেইনারে (পাত্রে) ডিজেল সরবরাহ করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল,যার ফলে আমাদের পরিশ্রমী কৃষক ভাইরা,বিভিন্ন হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা কার্যক্ষেত্রে চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল। জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করেছে।”

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরা। পেট্রল পাম্পের এক ব্যবসায়ী বলেন, “সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে তা তো মেনে চলতেই হবে।”

মধ্য প্রাচ্যের অশান্তির জেরে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই পেট্রল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাস নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার কৌশলগত ভাবে চেষ্টা করছে যাতে দেশে জ্বালানির ঘাটতি না হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি ব্যবহার না করতে। এ দিকে, প্রচুর মানুষ জ্বালানি সঙ্কট হতে পারে ভেবে আগে ভাগেই পেট্রল ডিজেট মজুত করে রাখছিলেন। তবে এভাবে তেল মজুত করে রাখা আইনত অপরাধ। পেট্রোল বা ডিজেল সাধারণ প্লাস্টিকের বোতলে দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র স্টিল বা শক্ত প্লাস্টিকের অনুমোদিত পাত্রেই তা দেওয়া হয়। তবে, সম্প্রতি তেলের সঙ্কটের জন্য কন্টেনারে পেট্রল-ডিজেল দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এর জেরে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। বিশেষ করে কৃষক, চা বাগানের শ্রমিক যাঁরা মোটর চালিত যন্ত্র ব্যবহার করেন, একই সঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি অসুবিধায় পড়ছিল, সেই কারণেই তাদের জন্য এবার ছাড় দিল রাজ্য সরকার।

Follow Us