BJP MLA Kaustav Bagchi: বিয়ের পর প্রথম জামাইষষ্ঠী, বিধায়ক জামাই কৌস্তভের জন্য মধ্যাহ্নভোজে কী কী আয়োজন করলেন শ্বশুর?
Barrackpore MLA Kaustav Bagchi Visits In-Laws for Jamai Sasthi: বিধায়ক হওয়ার পর ব্যস্ততা বেড়েছে কৌস্তভের। প্রীতি বললেন, "কৌস্তভ এখন আর তেমন করে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে না। তার নানা কর্মসূচি রয়েছে। আমরা এটা মানিয়ে নিয়েছি। ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের পর ৭ মে আমার জন্মদিন ছিল। সেদিন দু'জনে একসঙ্গে বসে এক কাপ চাও খাওয়া হয়নি।"

শ্রীরামপুর: মাস দেড়েক আগেই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। আবার বিয়ের পর প্রথম জামাইষষ্ঠী। তাই, ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যেও স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে গেলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। তাঁকে ঘিরে শ্বশুরবাড়িতে যথারীতি উন্মাদনা দেখা গেল। বিধায়ক জামাইয়ের আপ্যায়নে কোনও খামতি রাখলেন না কৌস্তভের শ্বশুরমশাই বিশ্বজিৎ কর।
হুগলির শ্রীরামপুরে শ্বশুরবাড়ি কৌস্তভের। গতবছরের ২৬ নভেম্বর আইনজীবী প্রীতি করের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। কয়েকমাসের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে প্রথমবার বিধায়ক হয়েছেন। শনিবার স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে আসেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁকে দেখতে ভিড় করেন প্রতিবেশীরাও। শ্বশুর-শাশুড়ির হাতে উপহার তুলে দেন কৌস্তভ।
দুপুরের মেনু নিয়ে কী বললেন কৌস্তভের শ্বশুর?
জামাইষষ্ঠীর দিনও দলীয় কর্মসূচি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের একাধিক সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে। তাই দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে চলে যেতে হবে বলে শ্বশুরবাড়িতে পা রেখেই জানিয়ে দেন কৌস্তভ। অল্প সময়ের মধ্যেই জামাইয়ের আপ্যায়নে কোনও খামতি রাখতে চাননি শ্বশুর বিশ্বজিৎ কর। তিনি বলেন, “কৌস্তভের ভাগ্য ভালো, আমার মেয়েকে পেয়েছে। আবার আমার মেয়েরও ভাগ্য ভালো, কৌস্তভকে পেয়েছে। আমার প্রিয় জামাইয়ের প্রথমবার জামাইষষ্ঠী। তাই, দুপুরের মেনু হচ্ছে ভেটকি মাছের পাতুরি, সরষে ইলিশ। গঙ্গার জ্যান্ত ইলিশ এনেছি। সেটা ভাজা। খাসির মাংস। ফিস ফ্রাই। মিষ্টি, দই। সব রয়েছে।”
কী বলছেন কৌস্তভের স্ত্রী?
কৌস্তভ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, ততদিন ন্যাড়া থাকবেন। এখন মমতা আর মুখ্যমন্ত্রী নন। তাই মাথায় চুল রাখছেন কৌস্তভ। এই নিয়ে কৌস্তভের স্ত্রী প্রীতি বলেন, “কৌস্তভকে এই নিয়ে এতদিন কতজনে কত কথা বলেছেন। কিন্তু, কেউ ওর প্রতিজ্ঞার কথা ভেবে দেখল না। তৃণমূল যদি আরও ১০ বছর থাকত, ও আরও ১০ বছরই ন্যাড়া থাকত।” এরপরই তিনি বলেন, “এতদিন ন্যাড়া দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। এখন ওর মাথায় চুল দেখে প্রথমে একটু অন্যরকম লাগে।”
বিধায়ক হওয়ার পর ব্যস্ততা বেড়েছে কৌস্তভের। প্রীতি বললেন, “কৌস্তভ এখন আর তেমন করে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে না। তার নানা কর্মসূচি রয়েছে। আমরা এটা মানিয়ে নিয়েছি। ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের পর ৭ মে আমার জন্মদিন ছিল। সেদিন দু’জনে একসঙ্গে বসে এক কাপ চাও খাওয়া হয়নি।”
অন্যদিকে, এদিন শ্বশুরবাড়িতে এসেও রাজনীতি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হল ব্যারাকপুরের বিধায়ককে। মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম, মমতার অবস্থা শোলে সিনেমার আসরানির মতো হবে। আধে ইধার যাও, আধে উধার যাও। বাকি মেরে পিছে যাও। কেউ পিছনে থাকবে না মমতার।”
