Hooghly: বাড়িতে হামলা, হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলেও বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ; উত্তেজনা তারকেশ্বরে
BJP worker allegedly beaten: তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের তারকেশ্বর ব্লক সভাপতি প্রদীপ সিংহরায় জানান, তাঁদেরই কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছিল বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেন।

তারকেশ্বর: দুপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে হামলা। চিকিৎসা করাতে গেলে হাসপাতালেই বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধোরের অভিযোগ উঠল তৃণমুল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল হুগলির তারকেশ্বরে। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল তৃণমূল।
বিজেপির অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুর দুটো নাগাদ তারকেশ্বরের ভীমপুর এলাকার বিজেপি কর্মী নন্দন ভান্ডারির বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতা কর্মীরা আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান। তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতা কর্মীদের মারধরের খবর যায় জেলা বিজেপি নেত্রী পর্ণা আদকের কাছে। পুলিশের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনকি পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীদের মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ। সীমন্ত সামন্ত নামে আক্রান্ত এক বিজেপি কর্মী বলেন, “আমাদের দলের এক কর্মীর বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে গিয়েছিলাম। নৃশংসভাবে আমাদেরও মারধর করেছে।”
চিকিৎসা করার পর সন্ধ্যায় থানায় অভিযোগ জানাতে যান বিজেপি কর্মীরা। সেখানেও পুলিশের সামনেই বিজেপি নেতা কর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এরপর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতা কর্মীরা। পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তাঁরা।
যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের তারকেশ্বর ব্লক সভাপতি প্রদীপ সিংহরায় জানান, তাঁদেরই কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছিল বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেন।
