
হুগলি: জল্পনা ছিলই। শেষপর্যন্ত ভাঙড়ে বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকেই প্রার্থী করল আইএসএফ। সোমবার ফুরফুরা শরিফে রাজ্য কমিটির অফিস থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে আইএসএফ। এদিন প্রথম দফায় ২৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, তৃণমূল থেকে আইএসএফ-এ যোগ দিয়ে ক্যানিং পূর্ব আসনে টিকিট পেলেন আরাবুল ইসলাম।
দিন তিনেক আগে আইএসএফ জানিয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনে তারা ৩৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এর মধ্যে ২৯ আসনে বামেদের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছানে গিয়েছে। আর বাকি চারটি আসনে বামেরা প্রার্থী দিলেও সেই আসনগুলিতে তারাও প্রার্থী দেবে বলে ঘোষণা করে আইএসএফ।
এদিন ওই ৩৩টি আসনের মধ্যে ২৩টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল আইএসএফ। এদিন ফুরফুরা শরিফে আইএসএফের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন দলের চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী ও কার্যনির্বাহী সভাপতি সামসুর আলি মল্লিক। ভাঙড়ে যে নওশাদ ফের প্রার্থী হবেন, তা কার্যত নিশ্চিত ছিল। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হল।
ভাঙড়ে তৃণমূল প্রার্থী করেছে ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। গত ৫ বছরে শওকত ও নওশাদ পরস্পরকে লাগাতার নিশানা করেছেন। এবার পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা। তবে তালিকা ঘোষণার পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানান নওশাদ। মমতাকে ভাঙড় থেকে প্রার্থী হওয়ার আহ্বান জানান।
এদিন আইএসএফের প্রার্থী তালিকায় আর একটি উল্লেখযোগ্য নাম আরাবুল ইসলাম। কয়েকদিন আগে পর্যন্ত তৃণমূলে ছিলেন ‘তাজা নেতা’ আরাবুল। ভাঙড়ের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তিনি। তৃণমূল ছেড়ে এবার আইএসএফের টিকিটে ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী হলেন। আরাবুলের সঙ্গে শওকতের দ্বন্দ্বের কথা সর্বজনবিদিত। শওকত যে কেন্দ্র থেকে ভাঙড়ে আসছেন, সেই কেন্দ্রে এবার প্রার্থী হয়ে যাচ্ছেন আরাবুল।