Hooghly: ‘অদ্ভুতভাবে লাফিয়ে পড়ল ওরা’, ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটী শিক্ষকরা ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার
Hooghly DA Movement: অভিযোগ, সেই অবস্থান কর্মসূচি থেকে পুলিশের সামনেই টেনে হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয় শিক্ষকদের, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এমনকি বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। গুরুতর আহত দুজন শিক্ষক সত্যব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং সুনীল চন্দ্র সরেন এবং কম বেশি সকলেই আহত হন। এরপরই হরিপাল থানায় আক্রান্ত শিক্ষকরা অভিযোগ দায়ের করেন বেশ কয়েক জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

হুগলি: ধর্মঘটী শিক্ষকদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত দুজন শিক্ষক। ঘটনা হরিপাল এসআই অফিসের সামনে। ডিএ- র দাবিতে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ সহ তিনটি সংগঠন। সেই মতো হরিপাল ব্লক অফিস সংলগ্ন হরিপাল এসআই অফিসে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষকদের একটি দল।
অভিযোগ, সেই অবস্থান কর্মসূচি থেকে পুলিশের সামনেই টেনে হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয় শিক্ষকদের, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এমনকি বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। গুরুতর আহত দুজন শিক্ষক সত্যব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং সুনীল চন্দ্র সরেন এবং কম বেশি সকলেই আহত হন। এরপরই হরিপাল থানায় আক্রান্ত শিক্ষকরা অভিযোগ দায়ের করেন বেশ কয়েক জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আক্রান্ত এক শিক্ষক বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই আন্দোলন করছিলাম। এমন সময়ে তৃণমূলের কয়েক জন নেতৃস্থানীয় লাফিয়ে পড়ে চড়াও হন। লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। শিক্ষকরা যেখানে তাঁদের অফিসের সামনে বসে রয়েছেন, তাঁদের ওপর যাঁরা আক্রমণ করলেন, তাঁদের শাস্তি চাই”
যদিও তৃণমূল শিক্ষা সেলের সভাপতি শ্রীকান্ত ঘোষ বলেন, “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। যে দলের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন বামফ্রন্ট করেছেন, এখন জামা পাল্টে রাম হয়েছেন। গেট আটকে বিক্ষোভ করছিলেন। সে সময়ে আমি এসআই অফিসে যাচ্ছিলাম। আমাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করতে থাকে।”
