Missing Shooter Damayanti Sen: ‘মা তুই কী চাস!’ মেয়েকে দেখেই কেঁদেই ফেললেন বাবা, দু’দিন কোথায় ছিল দময়ন্তী?
Damayanti Sen Missing Case: বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন বলছেন, “প্রাতঃভ্রমণকারী এক মহিলা তাঁর বরকে ফোন করে আমাকে জানায় ওর কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে যাই। ১৫ থেকে ২০ মিনিট খোঁজার পর ওকে রামকৃষ্ণপুর ঘাটে পাওয়া যায়। আমি যখন ওকে বলি তুই কোথায় গিয়েছিলি? তখন আমাকে আমাকে জড়িয়ে ধরে।

হাওড়া: ২ দিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে বাড়ি ফিরলেন হাওড়ার নিখোঁজ শ্যুটার দয়মন্তী সেন। হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে ছিলেন দময়ন্তী, জানাচ্ছেন শ্যুটারের বাবা। সেখান থেকেই তাঁকে ফেরানো হয় বাড়ি। বৃহস্পতিবার কেনাকাটা করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তরুণী। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। তদন্তে হাওড়া স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়। সেখানেই দেখা মেলে তরুণীর। অবশেষে মেয়েকে ফিরে পেয়ে খুশি গোটা পরিবার।
পরিবার সূত্রে খবর, হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে ভোরবেলা এসে বসেছিল দময়ন্তী। সেখান থেকেই আত্মীয়-স্বজনের কাছে খবর পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। খবর যায় হাওড়া থানার পুলিশের কাছেও। খানিক ধরা গলাতেই দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন বলছেন, “সুস্থ স্বাভাবিকভাবে যে মেয়েকে খুঁজে পেয়েছে এতে খুবই ভালো লাগছে। রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন, ক্রীড়ামন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে আমার পাশে ছিল তা অকল্পনীয়। দু’টো রাত যে কীভাবে কেটেছে আমরাই জানি। এখন ওকে কিছুই জিজ্ঞেস করিনি। শুধু জানতে চেয়েছি মা তুই কী চাস!” কিন্তু কীভাবে তাঁরা জানতে পারলেন দময়মন্তী ওই ঘাটে রয়েছে?
ধ্রুবজ্যোতি সেন বলছেন, “প্রাতঃভ্রমণকারী এক মহিলা তাঁর বরকে ফোন করে আমাকে জানায় ওর কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে যাই। ১৫ থেকে ২০ মিনিট খোঁজার পর ওকে রামকৃষ্ণপুর ঘাটে পাওয়া যায়। আমি যখন ওকে বলি তুই কোথায় গিয়েছিলি? তখন আমাকে আমাকে জড়িয়ে ধরে। আমি কেঁদে ফেলি। তখন আমাকে বলে বাড়ি নিয়ে চলো। তারপর সোজা বাড়ি নিয়ে আসি। স্নান করিয়ে থানায় নিয়ে আসি।”
