AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Howrah: হাওড়া জেলা সংশোধনাগারে বন্দির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, সেলের মধ্যে আরও ৩ জন কী করছিলেন?

Howrah: মৃতের বাড়ির লোকের অভিযোগ, এদিন সকাল সাতটা নাগাদ হাওড়া জেলা হাসপাতাল থেকে তাঁদের বাড়িতে ফোন যায়। বলা হয়, তাঁদের ছেলে জেলের মধ্যে মারা গিয়েছেন। তাঁদের সন্দেহ, সেলিম আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে।

Howrah: হাওড়া জেলা সংশোধনাগারে বন্দির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, সেলের মধ্যে আরও ৩ জন কী করছিলেন?
খুনের অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবারImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 01, 2025 | 10:25 PM
Share

হাওড়া: জেলের মধ্যে বিচারাধীন বন্দির রহস্যজনক মৃত্যু। মৃতের নাম সেলিম আনসারি(৩৫)। রবিবার সকালে জেলের কুঠুরির মধ্যে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, তাঁকে অন্য বন্দিরা খুন করেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া থানার পুলিশ।

অভিযোগ, বছর চারেক আগে শিবপুরের শালিমার স্টেশনের কাছে ভোলা রায় নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে স্থানীয় যুবক সেলিম আনসারি। তিনি পেশায় টোটো চালক ছিলেন। তোলা নিয়ে ঝামেলার জেরে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। শিবপুর বি গার্ডেন থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন এবং খুনের চেষ্টার মামলা হয়। তখন থেকেই তিনি হাওড়া জেলা সংশোধনাগারে বন্দি ছিলেন।

মৃতের বাড়ির লোকের অভিযোগ, এদিন সকাল সাতটা নাগাদ হাওড়া জেলা হাসপাতাল থেকে তাঁদের বাড়িতে ফোন যায়। বলা হয়, তাঁদের ছেলে জেলের মধ্যে মারা গিয়েছেন। তাঁদের সন্দেহ, সেলিম আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁরা উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। হাওড়া থানাতে মৃতের স্ত্রী, মা এবং পরিবারের লোকেরা যান। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে এলে তবেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মৃতের শাশুড়ি আসগারি বেগম বলেন, “সকাল ৬টা পর্যন্ত বেঁচে ছিল আমার জামাই। পুলিশের কাছ থেকে জল চেয়ে খেয়েছে। কথা বলেছে। সাড়ে ৬টার সময় বলছে মারা গিয়েছে। পুলিশ একবারও ফোন করে জানায়নি। আমরা বিচার চাই।” মৃতের শ্যালিকা সায়েরা খাতুনের প্রশ্ন, “জেল কর্তৃপক্ষ সেইসময় কোথায় ছিল? সেলের মধ্যে আরও তিনজন ছিল। তারা সেইসময় কী করছিল? গলায় দড়ির কোনও দাগ নেই। আমাদের মনে হচ্ছে, ওকে কেউ মেরেছে।”

Follow Us