
বালি: পুরোদমে বেজে গিয়েছে ভোটের দামা। ঘোষণা হয়ে গিয়েছে প্রার্থী তালিকা। এরইমধ্যে বালিতে বিজেপিতে ধস। এবার বালিতে সঞ্জয় সিংকে দাঁড় করিয়েছে পদ্ম শিবির। কিন্তু নাম ঘোষণার পর থেকেই দলের অন্দরে তীব্র ক্ষোভ। এরইমধ্যে বালি, বেলুড়, লিলুয়া থেকে প্রায় শতাধিক পদ্ম কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। তাতে নিয়েই এখন জেলার রাজনৈতিক মহলে জোরদার চর্চা। বালির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কৈলাস মিশ্রর হাত ধরেই তাঁরা ভিড়লেন ঘাসফুল শিবিরে।
মধ্য হাওড়ায় শেষ দু’বার বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন সঞ্জয়। লড়েছিলেন লোকসভা নির্বাচনেও। কিন্তু প্রতিবারই তৃণমূলের কাছে হারতে হয় তাঁকে। এবার সেখান থেকে সরিয়ে তাঁকে বালিতে প্রার্থী করেছেন দল। তাতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন বালির বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। প্রার্থীকে ঘিরে বহিরাগত বলেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। বহিরাগত প্রার্থীকে কোনওভাবেই মানা হচ্ছে না, দাবি অনেক বিজেপি কর্মীদেরই। এরইমধ্যে রাতারাতি তাঁরা যোগাযোগ করেন সেখানকার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান হয়ে গেল।
সাংবাদিক বৈঠকও করেন বালির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। তিনি তাঁর জয়ের ব্য়াপারে পুরোপুরি নিশ্চিত বলেই জানান। বিজেপির দিশাহীনতাই তাঁদের কর্মীদের দল-বিমুখ করছে বলে দাবি তাঁর। অন্যদিকে ভোটের মুখে এই বড়সড় দলবদল বুথ স্তরে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই বাড়াবে বলে মনে করছেন ঘাসফুল শিবিরের নেতারা।
তৃণমূলে এই বিজেপির এক মণ্ডল সভাপতি বলছেন, “কৈলাসবাবু শুরু থেকেই যেভাবে কাজ করছেন তাতে আমরা অনুপ্রাণিত। বিজেপিতে লক্ষ্য করলে দেখবেন আমরা তৃণমূল স্তরে কাজ করে চলেছি কিন্তু ভোটের সময় বাইরে থেকে লোকজনদের নিয়ে এসে বসিয়ে দেয়। ভিআইপি নেতাদের উপরে বসিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে কী ভোটে জেতা যায়?”