AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC Internal Crisis: তৃণমূলের অন্দরে কী চলছে? সবটা বলে দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ

Arup Roy Slams TMC Leadership: সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। দলকে কীভাবে চাঙ্গা করবেন? প্রশ্ন শুনেই অরূপের জবাব, "দলের নেতৃত্ব আছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন।" তিনি প্রচারের নামবেন কি না, জানতে চাওয়ায় বললেন, "এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি।" রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল যে বাড়ছে, তা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

TMC Internal Crisis: তৃণমূলের অন্দরে কী চলছে? সবটা বলে দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ
প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 01, 2026 | 3:56 PM
Share

হাওড়া: ১৫ বছর পর রাজ্যে ক্ষমতা হারিয়েছে। আর বিধানসভার ফল ঘোষণার এক মাস কাটতে না কাটতেই তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল বেড়েই চলেছে। বিধায়কদের সই জালের অভিযোগ নিয়ে শোরগোল বাড়ছে। দুই বিধায়ক সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। দলের নেতাদের রাস্তায় দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মধ্য হাওড়া বিধানসভার বিধায়ক অরূপ রায়। বললেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলা হলেও এখনও পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে কেউ তাঁকে ফোন করে খবর পর্যন্ত নেয়নি।

কী বললেন অরূপ রায়?

একমাস আগেও রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল। ঘাসফুল শিবির দাবি করত, তাদের সংগঠন খুবই মজবুত। আর ক্ষমতা হারাতেই সেই সংগঠনের কঙ্কালসার চেহারা সামনে আসছে। এদিন অরূপ রায় বলেন, “এই মুহূর্তে দলের উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর। চারিদিকে যখন দলের সাধারণ কর্মী থেকে এমএলএ, এমপিরা মার খাচ্ছেন, তখন দল পাশে নেই। দলের উপর কন্ট্রোল নেই রাজ্য নেতৃত্বের। সংগঠন না থাকার কারণেই এই অবস্থা।” তিনি আরও বলেন, “এর আগেও দলের খারাপ পরিস্থিতি এসেছে। বিধানসভায় ৩০-৪০টি আসন পেয়েছি। কিন্তু, এমন কখনও হয়নি। আমরা রাস্তায় বুক ফুলিয়ে রাজনীতি করেছি।”

গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া ফার্স্ট বাই লেনে অরূপ রায়ের বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তাঁর বাড়ির সামনের গোডাউন থেকে প্রচুর পরিমাণে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি সহ নানা সামগ্রী উদ্ধার হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তাঁর বাড়ির সামনে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অরূপ রায় জানিয়েছিলেন, জেলাশাসককে তিনি আগেই ত্রাণের জিনিসপত্র গোডাউন থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আর প্রশাসন থেকে যখন ওই জিনিসপত্র সরানোর চেষ্টা হয় তখনই বিজেপি কর্মীরা ম্যাটাডোর ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয়।

আর এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অরূপ রায় এদিন তাঁর বাড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেই সাংবাদিক বৈঠকে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন অভিমানী অরূপ। তিনি বলেন, শনিবারের ঘটনার পর দলের তরফে তাঁকে কেউ ফোন পর্যন্ত করেনি। দলের সঙ্গে কি তাঁর দূরত্ব বাড়ছে? প্রশ্ন শুনে কয়েক সেকেন্ড থেমে তিনি বলেন, “দলের এই মুহূর্তে উচিত ছিল, কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো। সেটা দল সঠিকভাবে করেনি।”

সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। দলকে কীভাবে চাঙ্গা করবেন? প্রশ্ন শুনেই অরূপের জবাব, “দলের নেতৃত্ব আছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন।” তিনি প্রচারের নামবেন কি না, জানতে চাওয়ায় বললেন, “এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি।” রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল যে বাড়ছে, তা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

Follow Us