
যাদবপুর মানেই রাজনীতির আখড়া, যাদবপুর মানেই স্লোগান, আর যাদবপুর মানেই কলোনি। উত্তরে ঢাকুরিয়া, পশ্চিমে টালিগঞ্জ, পূর্বে সন্তোষপুর এবং দক্ষিণে গড়িয়া অঞ্চল দ্বারা ঘেরা এই অঞ্চলে মূলত মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের বাস। আর এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
অষ্টম রাউন্ড শেষে ১০০৯৬ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখার্জি।
দুপুর আড়াইটা- বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখার্জি নবম রাউন্ড শেষে ৯৩১২ ভোটে এগিয়ে।
যাদবপুরে বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখার্জি চতুর্থ রাউন্ড শেষে ৪৯৪০ ভোটে এগিয়ে।
সকাল ১১টা- তৃতীয় রাউন্ড চলছে যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার প্রায় ১২ হাজার ভোটে পিছিয়ে। এগিয়ে রয়েছেন অভিনেত্রী ও নেত্রী শর্বরী মুখোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থী।
*ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট*
১৮৭৬ সালে মহেন্দ্রলাল সরকার নিজের উদ্যোগে যাদবপুরে ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অব সায়েন্স’ নামে সাধারণ বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এরপর ১৯০৬ সালে রাজা সুবোধচন্দ্র মল্লিক, ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী দানের টাকায় জাতীয় শিক্ষা পরিষদ স্বদেশী উদ্যোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিস্তারের জন্য যাদবপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট (বিটিআই) প্রথমদিকে মানিকতলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, পরে যদিও যাদবপুরে স্থানান্তরিত করে হয়েছিল। পরে এর নাম কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি রাখা হয়েছিল এবং ১৯৫৫ সালে এর নাম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিল।
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী কারা?*
তৃণমূল কংগ্রেস:
বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার (মলয়)
বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সিপিএম-এর হয়ে লড়াই করছেন।
অভিনেত্রী ও নেত্রী শর্বরী মুখোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থী
অন্যদিকে, কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন শ্যামলী মণ্ডল