Jalpaiguri: ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে উঁকি দিয়েই শিউরে উঠলেন সবাই, কী হল?

Dead body recovered: যেখানে পুলিশের থাকার কথা, সেখানে কীভাবে ভবঘুরে বসবাস করছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও ধূপগুড়ি শহরে পৌরসভার তরফে ভবঘুরেদের থাকার জন্য আলাদা করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে থাকার পরও কেন পৌরসভার তরফে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও উঠছে।

Jalpaiguri: ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে উঁকি দিয়েই শিউরে উঠলেন সবাই, কী হল?
শুক্রবার সকালে ট্র্যাফিক পুলিশের বুথ থেকে উদ্ধার হল ব্যক্তির মৃতদেহImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 06, 2026 | 1:02 PM

ধূপগুড়ি: ট্র্যাফিক পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথ। ট্র্যাফিক পুলিশ ওই বুথ এখন ব্যবহার করে না। আর সেই পরিত্যক্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথ থেকেই শুক্রবার সকালে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার হল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। ট্র্যাফিক পুুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথে কীভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।   

এদিন সকালে ধূপগুড়ি থেকে জলপাইগুড়িগামী এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ নম্বর সড়কের মাঝখানে অবস্থিত জেলা পুলিশের ট্র্যাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথে নজর পড়তেই চমকে উঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথের ভেতর ময়না বিছানা। সেখানে পড়ে ওই ব্যক্তির মৃতদেহ। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেছিলেন, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে রয়েছেন। কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণের পর তাঁরা বুঝতে পারেন, ওই ব্যক্তি মারা গিয়েছেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমায় বহু মানুষ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। জেলা পুলিশের তৈরি ট্র্যাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথটি কেন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল? কীভাবে সেই বন্ধ ঘরের ভিতরে একজন ব্যক্তি মৃত অবস্থায় পড়ে থাকলেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ট্র্যাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এবং তার তালা খোলা। সেই সুযোগে ওই ভবঘুরে ব্যক্তি সেখানে বসবাস করতেন। এদিন সকালেই তাঁকে সেখানেই মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিশ্বজিৎ পাল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ওই ব্যক্তি রাস্তাঘাট থেকে প্লাস্টিক কুড়োতেন। মাস চার-পাঁচেক আগে থেকে এই ট্র্যাফিক পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথে থাকতেন। 

যেখানে পুলিশের থাকার কথা, সেখানে কীভাবে ভবঘুরে বসবাস করছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও ধূপগুড়ি শহরে পৌরসভার তরফে ভবঘুরেদের থাকার জন্য আলাদা করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে থাকার পরও কেন পৌরসভার তরফে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও উঠছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ, ধূপগুড়ি ট্র্যাফিক গার্ডের পুলিশসহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।