Dhupguri poll code violation: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, INTTUC -র ভূমিকা বিতর্ক

Dhupguri Election News: ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নির্মান কর্মী ও টোটো চালক, যাঁরা আইএনটিটিইউসি-র সদস্য। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং, আইএনটিটিইউসি-র ধূপগুড়ি ব্লক সভাপতি আলম রাহমান এবং প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়।

Dhupguri poll code violation: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, INTTUC -র ভূমিকা বিতর্ক
ধূপগুড়িতে বিতর্কImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Apr 12, 2026 | 1:55 PM

ধূপগুড়ি:  ধূপগুড়িতে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-কে ঘিরে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ সিপিএমের। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের অধীন ধূপগুড়ি ইনস্পেকশন বাংলোতে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র উদ্যোগে একটি নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ, নির্বাচন আচরণবিধি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও সরকারি জায়গায় এই সভার আয়োজন করা হয়েছে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

বিরোধী দলগুলির দাবি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্বাচনী সময়ে কোনও সরকারি স্থানে রাজনৈতিক সভা বা জমায়েত করার অনুমতি নেই। সেই নিয়ম উপেক্ষা করেই ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়ের সমর্থনে এই কর্মিসভা করা হয়।

ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নির্মান কর্মী ও টোটো চালক, যাঁরা আইএনটিটিইউসি-র সদস্য। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং, আইএনটিটিইউসি-র ধূপগুড়ি ব্লক সভাপতি আলম রাহমান এবং প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়।

সরকারি বাংলোর ভিতরে এই সভা হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে গুঞ্জন। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি ও সিপিএম। দুই দলের তরফেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

সিপিআইএম নেতা জয়ন্ত মজুমদার বলেন, “নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও সরকারি জায়গায় এই ধরনের সভা করা সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রশাসন কীভাবে এই ঘটনায় নীরব ভূমিকা নিচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছি।”

অন্যদিকে বিজেপি নেতা চন্দন দত্ত বলেন, “অনুমতি ছাড়াই এবং নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এই সভা হয়েছে। শাসকদল বলেই সবকিছু করা যায় এই মানসিকতারই প্রমাণ এটি। বিরোধীরা সভা করতে গেলে নানা জায়গায় অনুমতি চাইতে হয়, তবুও অনুমতি মেলে না। আমরা ইতিমধ্যেই অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।”

এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং বলেন, “এটি কোনও নির্বাচনী জনসভা নয়, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কর্মী বৈঠক ছিল।কেউ যদি অতি উৎসাহিত হয়ে তৃনমূলের কোনও ব্যানার লাগিয়ে থাকে সে বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। নির্বাচন আচরণবিধি মেনেই এই কর্মসূচি করা হয়েছে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এখন দেখার, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ধূপগুড়ি বিডিও সোমনাথ হালদার বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি সেখানে কর্মীদের পাঠানো হয়েছে।অভিযোগ টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Follow Us