AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jalpaiguri: কুকুরের মুখে শিশুর মাথা, কী হচ্ছে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল চত্বরে?

Dog seen carrying infant's head: রমা নায়েক এক মহিলা বলেন, "আমার ছেলের জন্য খাবার কিনতে হাসপাতালের বাইরে যাচ্ছিলাম। তখন দেখি, কুকুরটা মুখে কিছু নিয়ে ঘুরছে। ছেলেকে দাঁড় করিয়ে আমি এগিয়ে যাই। গিয়ে দেখি, কুকুরের মুখে একটা বাচ্চার মাথা। আমি চমকে যাই। গার্ডকে দেখে দেখাই।"

Jalpaiguri: কুকুরের মুখে শিশুর মাথা, কী হচ্ছে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল চত্বরে?
প্রতীকী ছবিImage Credit: Meta AI
| Edited By: | Updated on: Jan 24, 2026 | 6:59 PM
Share

জলপাইগুড়ি: প্রথমে দেখে আঁতকে উঠেছিলেন সবাই। নিজের চোখকেই যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। এমনও সম্ভব! হাসপাতাল চত্বরে সদ্যোজাতর মাথা মুখে নিয়ে ঘুরছে কুকুর। শনিবার এই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে। সরব হয়েছেন হাসপাতালে আসা রোগীর পরিজনরা। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গাফিলতির অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে।

এদিন বিকেলে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের অধীনে থাকা মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব চত্বরে প্রথমে কুকুরটিকে দেখতে পান রোগীর আত্মীয়রা। এরপর তাঁরা ধাওয়া করতেই মেডিক্যাল কলেজ চত্বরের ফাঁকা জায়গায় সদ্যোজাত শিশুর মাথাটি ফেলে পালিয়ে যায় কুকুরটি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে আসে পুলিশ। শিশুর মাথাটি তুলে নিয়ে যায়।

এই নিয়ে সরব হয়েছেন রোগীর আত্মীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, এটা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি। উপযুক্ত তদন্ত করতে হবে। রমা নায়েক এক মহিলা বলেন, “আমার ছেলের জন্য খাবার কিনতে হাসপাতালের বাইরে যাচ্ছিলাম। তখন দেখি, কুকুরটা মুখে কিছু নিয়ে ঘুরছে। ছেলেকে দাঁড় করিয়ে আমি এগিয়ে যাই। গিয়ে দেখি, কুকুরের মুখে একটা বাচ্চার মাথা। আমি চমকে যাই। গার্ডকে দেখে দেখাই।” হাসপাতালে ভর্তি এক রোগীর আত্মীয় মৃণাল রায় বলেন, “আমরা কুকুরের মুখে শুধু শিশুর মাথাটাই দেখতে পেয়েছি। তাহলে বাকি দেহটা কোথায়? সেটা আমরা জানতে চাই।”

ঘটনায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের MSVP ডাক্তার কল্যাণ খাঁ জানিয়েছেন, “হাসপাতালের গাফিলতির প্রশ্নই আসে না। কারণ, মৃত শিশু প্রসব হলে তা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যদি কেউ দেহ না নেন, তবে সেই দেহ মর্গের ফ্রিজারে রাখা হয়। অভিযোগ পেয়ে আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্ত করতে বলা হয়েছে।”