
হলদিবাড়ি: পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফাতেই পড়েছে রেকর্ড ভোট। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে ১৫২টি কেন্দ্রে। এরপরই রাতে ইভিএম বদলের অভিযোগ তুলে সরব বিজেপি। গাড়িতে মিলল দ্বিতীয় ইভিএম। মধ্যরাতে তুমুল উত্তেজনা সীমান্ত শহর হলদিবাড়িতে। বদলানো হতে পারে ইভিএম মেশিন। এই আশঙ্কায় সেক্টর অফিসারের গাড়ি আটকান বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।
কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই ইভিএম মেশিন নিয়ে বুথ কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন সেক্টর অফিসার। সেই সময় সেক্টর অফিসারের গাড়ি আটকান বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে হলদিবাড়ি শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ডের ভোট হয় বালাডাঙা জুনিয়র বেসিক স্কুলে। ১৪০ ও ১৪১ নম্বর বুথের ভোটগ্রহণ হয় ওই স্কুলে।
বিজেপি এভাবে গাড়ি আটকাতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ বাহিনী বুথটি ঘিরে ফেলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেখলিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়, পৌঁছন বিজেপি নেতা অর্ঘ্য রায় প্রধান ও তাঁর অনুগামীরা। এরপর দীর্ঘ আলোচনার পর তাঁদের আশ্বস্ত করে বলা হয় ডিসিআরসিতে গিয়ে ইভিএম মেশিনটি পরীক্ষা করা হবে। তারপর ছেড়ে দেওয়া হয় গাড়িটিকে। পরে গাড়ির পিছন পিছন ডিসিআরসি কেন্দ্র পর্যন্ত যান বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়।
অন্যদিকে, ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়েই পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা বাধল তৃণমূল নেতার। বিজেপি যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সদস্য তথা মেখলিগঞ্জের বাসিন্দা আশেকার রহমানের নাম এবার এসআইআরে বাদ পড়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, সেই আশেকার রহমান কোনও আই কার্ড ছাড়াই মেখলিগঞ্জের ডিসিআরসি (DCRC) সেন্টারের ভিতরে কীভাবে প্রবেশ করল, তা নিয়ে পুলিশকে প্রশ্ন করতেই শুরু হয় পুলিশ আধিকারিকের হুমকি।
ডিসিআরসি কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিক হুমকি দেন, মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনিকে। শুরু হয় তুমুল কাজিয়া। পরে পুলিশ গিয়ে বিজেপি নেতা আশেকার রহমানকে সেন্টার থেকে বের করে দেয়।
তৃণমূল নেতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জ বিধানসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায় বলেন, “তৃণমূল ভোটে হারবে জেনে মিথ্যা অভিযোগ করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে।”