Jalpaiguri: সরকারের দেওয়া জ্যাকেট গায়ে চাপিয়েই সারছিলেন দলীয় নির্দেশ! বাগে পড়তেই…

Jalpaiguri: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই বিধি আবার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ, ধূপগুড়ি পৌরসভার অস্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানো হচ্ছে। বিশেষ করে পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে এদিন পৌরসভার জ্যাকেট পরিহিত কর্মীদের তৃণমূলের পতাকা লাগাতে দেখা যায়, বলে দাবি বিরোধীদের।

Jalpaiguri: সরকারের দেওয়া জ্যাকেট গায়ে চাপিয়েই সারছিলেন দলীয় নির্দেশ! বাগে পড়তেই...
পৌরসভার কর্মীরা লাগাচ্ছেন তৃণমূল পতাকাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 18, 2026 | 1:42 PM

জলপাইগুড়ি: পৌরসভার কর্মচারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে দলীয় কাজে। অভিযোগ ঘিরে শোরগোল ধূপগুড়িতে।  পৌরসভার জ্যাকেট পরা সরকারি কর্মচারীরা লাগাচ্ছেন তৃণমূলের দলীয় পতাকা, তেমনই ছবি ধরা পড়ল TV9 বাংলার ক্যামেরায়। অভিযোগ, ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়ের সমর্থনে এই দলীয় পতাকা লাগাচ্ছেন পৌরসভার কর্মচারীরা। আর তা ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই বিধি আবার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ, ধূপগুড়ি পৌরসভার অস্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানো হচ্ছে। বিশেষ করে পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে এদিন পৌরসভার জ্যাকেট পরিহিত কর্মীদের তৃণমূলের পতাকা লাগাতে দেখা যায়, বলে দাবি বিরোধীদের।

বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচনের মুখে তৃণমূল কর্মী সঙ্কটে পড়ে শাসকদল সরকারি কর্মচারীদের ব্যবহার করছে। তাঁদের দাবি, সরকারি অর্থে নিযুক্ত কর্মীদের দিয়ে দলীয় কাজ করানো নির্বাচন আচরণ বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বক্তব্য, বিষয়টি লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানানো হবে।  ওয়ার্ড সাফাই কর্মী কুলিন রায় বলেন, “ভোট এসে গিয়েছে, তাই পতাকা লাগাচ্ছি। তিন জনকে বলা হয়েছে। যেখানে বলবে, সেখানেই পতাকা লাগাতে হবে।”

বিজেপি নেতা পাপাই বসাক বলেন, “তৃণমূলের ঝান্ডা লাগানোরও লোক নেই। তাই সাধারণ কর্মচারী, ক্যাজুয়াল স্টাফদের ভয় দেখিয়ে পতাকা লাগাচ্ছে। কমিশনে অভিযোগ দায়ের করব।”

যদিও তৃণমূলের জেলা সভাপতি রাজেশ কুমার সিং বলেন, “কোনও পৌরসভার কর্মী লাগাচ্ছেন না। কেউ যদি সমর্থক হন, উৎসাহিত হয়ে লাগাচ্ছেন, সেটা আলাদা জিনিস। এতে পৌরসভার কোনও নির্দেশ নেই। ছুটি নিয়ে কেউ পতাকা লাগায়, তাহলে অপরাধ কোথায়? আগে দেখে নিন, তাঁরা পৌরসভার সেদিন আদৌ উপস্থিত কিনা, রেজিস্ট্রার চেক করলেই বোঝা যাবে।”

অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল নেতা রাজেশ কুমার সিংয়ের নির্দেশেই এই কাজ করানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাসক দলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, আসন্ন ধূপগুড়ি বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক প্রচার। তার মধ্যেই এই ঘটনাকে ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।

Follow Us