Malda: ‘ছাগল চুরি দেখে ফেলেছিল’, নাবালককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ
Malda minor murder allegation: ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে। আর দড়ির অন্য প্রান্ত নিচের ডালে বাঁধা। এটা আত্মহত্যায় সম্ভব নয়। খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। হত্যার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

মালদহ: গাছের তলায় পড়ে চটি। আর গাছে ঝুলছে নাবালক। অভিযোগ, ছাগল চুরি দেখে ফেলায় ১২ বছরের ওই নাবালককে খুন করে লিচু গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে অভিযুক্ত সন্দেহে এক যুবককে গণপ্রহার দেয় উত্তেজিত জনতা। পুলিশ ওই যুবককে উদ্ধার করে। অন্যদিকে আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ করছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের কালিয়াচক-১ ব্লকের সুজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চামাগ্রাম বাগানপাড়ায়।
একটি লিচুবাগান থেকে ১২ বছরের ওই নাবালকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃত নাবালকের নাম ফাহিম শেখ। পরিবারের অভিযোগ, ছাগল চুরির ঘটনা দেখে ফেলায় ফাহিমকে শ্বাসরোধ করে হয়েছে। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য লিচু গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ফাহিম বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। ফাহিমের মায়ের অভিযোগ, এলাকার কয়েকজনকে ছাগল চুরি করতে দেখে ফেলেছিল তাঁর ছেলে। সেই কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘‘আমার ছেলে মোবাইল দেখছিল। কেউ ওকে ফোন করে ডাকে। আধ ঘণ্টা পর শুনি আমার ছেলের দেহ উদ্ধার হয়েছে। আমার ছেলেকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। আমরাও দোষীদের ফাঁসি চাই।’’
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে। আর দড়ির অন্য প্রান্ত নিচের ডালে বাঁধা। এটা আত্মহত্যায় সম্ভব নয়। খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। হত্যার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কালিয়াচক থানার পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জসিম সেখ নামে এক যুবককে ধরে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সিলামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় জসিম শেখকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি, এই ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তের নাম উঠে এসেছে বলে দাবি পুলিশের। ওই ব্যক্তি এখনও পলাতক।
