Malda: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, প্রতিবাদে পর্যবেক্ষকের গাড়ির নীচে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ

Malda: যা নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত কাল ঘাম ছুটতে হয় পুলিশ, মালদহ জেলা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।  প্রায় এক ঘণ্টার উপরে ঘেরাও করে রাখা হয় নির্বাচন কমিশনের সাধারণ পর্যবেক্ষককে। এই ঘটনাকে ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের সাট্টারি গ্রামে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও বহু গ্রামবাসীকে ডি ভোটার করা হয়েছে।

Malda: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, প্রতিবাদে পর্যবেক্ষকের গাড়ির নীচে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ
চলছে বিক্ষোভImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 31, 2026 | 5:30 PM

মালদহ: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। প্রতিবাদে পর্যবেক্ষকের গাড়ির নীচে শুয়ে পড়লেন ভোটাররা। ঘটনাকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি মালদহের মোথাবাড়িতে। দফায় দফায় মালদহের একাধিক বিধানসভা এলাকায় বিক্ষোভ। মালদহের মোথাবাড়ি বিধানসভার পাশাপাশি একই অবস্থা ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রেরও। বুথ পরিদর্শনে গিয়ে এবারে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন নির্বাচন কমিশনের ইংরেজবাজার বিধানসভার সাধারণ অবজার্ভার। তাঁকে ঘিরে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা।

যা নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত কাল ঘাম ছুটতে হয় পুলিশ, মালদহ জেলা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।  প্রায় এক ঘণ্টার উপরে ঘেরাও করে রাখা হয় নির্বাচন কমিশনের সাধারণ পর্যবেক্ষককে। এই ঘটনাকে ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের সাট্টারি গ্রামে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও বহু গ্রামবাসীকে ডি ভোটার করা হয়েছে। এই নিয়ে তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন। এরই প্রতিবাদে সকাল থেকে গ্রামবাসীরা পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাছেন।

আন্দোলনকারী ঔরঙ্গজেব হোসেন বলেন, “লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করেছে কমিশন। তারই প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ ক্ষেপে ওঠেছে। রাস্তা অবরোধ করে আসলে কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছে, কী কারণে নাম ডিলিট হয়েছে। ২৩ তারিখ নাম ডিলিট হয়েছে, আজ ৩১ তারিখের পরও কারণ জানতে পারছি না।”

বিনোদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাজু মিঞা বলেন, “ভোটাধিকার মৌলিক অধিকার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদেরই নাম কাটা গিয়েছে। তাই রাস্তায় নেমেছে ওরা। ট্রাইবুনাল থেকেও কোনও রকমের কারণ জানতে পারেননি ওরা।”

মালদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার মাকসুদ হাসান বলেন, “অনলাইনে যেভাবে আবেদন করা যেতে পারে, সেটা দেখিয়ে দিয়েছি। সেখানে বাকি সমস্যা বিচারককে জানাতে হবে।”

Follow Us