AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Malda: টিকিট না পেয়ে কংগ্রেস, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের নেতাদের? কে কী বলছে?

West Bengal assembly election: তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, "এরকম কোনও কথা জানা নেই। এখানে প্রার্থী গৌণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ দেখেই ভোট হবে। যিনিই প্রার্থী হোন না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই নির্বাচন হচ্ছে। কোনও মান অভিমান থাকলে অচিরেই মিটে যাবে। তৃণমূল প্রার্থীকেই সবাই জেতাবে।"

Malda: টিকিট না পেয়ে কংগ্রেস, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের নেতাদের? কে কী বলছে?
মালদহে বাড়ছে দলবদলের জল্পনাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 20, 2026 | 6:57 PM
Share

মালদহ: ভোটের আগে মালদহে তৃণমূল নেতাদের দলবদলের জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই জেলায় ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন শাসকদলের একাধিক নেতা। একাধিক বিদায়ী বিধায়ক এবং নেতা টিকিট না পেয়ে বিরোধী দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের নেতারা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে দাবি কংগ্রেস ও বিজেপির। সত্যিই কি ভোটের টিকিট পেতে কংগ্রেস, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তৃণমূল নেতারা?

গত মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের ৭৪ জন বিদায়ী বিধায়ক টিকিট পাননি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন শাসকদলের নেতারা। মালদহেও সেই ছবি সামনে এসেছে। তৃণমূলের একাধিক নেতা-কর্মী সরব হচ্ছেন সমাজ মাধ্যমে। টিকিটের জন্য কোটি কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও সমাজমাধ্যমে সরব হচ্ছেন অনেকে।

মালদহ জেলায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে বেশ কয়েকজনের নাম। তিন বিদায়ী বিধায়ক তাজমুল হোসেন, নীহাররঞ্জন ঘোষ, আবদুল গনি এবার টিকিট পাননি। কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীও টিকিট পাননি। শোনা যাচ্ছে, শাসকদলের এই নেতারা ছাড়া-ও অনেকে নাকি কংগ্রেস, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

যদিও বিজেপি কিংবা কংগ্রেস প্রকাশ্যে কারও নাম করেনি। বিজেপির দাবি, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক, নেতারা তাদের দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বিজেপির জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের দলের রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু তাঁদের স্পষ্ট করে নির্দিষ্ট বক্তব্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই টিকিট চেয়েছেন। অনেকে সক্রিয়ভাবে বিজেপি করতে চেয়েছেন। তবে তাঁদের সিদ্ধান্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই নেবে।”

অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফেও একই দাবি করা হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আসিফ মেহবুব বলেন, “প্রদেশ কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক। তাঁদের কেউ কেউ টিকিট চেয়েছেন। তাঁদের টিকিট দেওয়া হতেও পারে।” শুধু তাই নয়, অনেক তৃণমূল নেতা কর্মী তৃণমূলে থেকেই কংগ্রেসকে এই নির্বাচনে সাহায্য করবেন বলে বিস্ফোরক দাবি প্রদেশ কংগ্রেস নেতার।

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, “এরকম কোনও কথা জানা নেই। এখানে প্রার্থী গৌণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ দেখেই ভোট হবে। যিনিই প্রার্থী হোন না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই নির্বাচন হচ্ছে। কোনও মান অভিমান থাকলে অচিরেই মিটে যাবে। তৃণমূল প্রার্থীকেই সবাই জেতাবে।”

রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিদায়ী বিধায়ক তাজমুল হোসেন ইতিমধ্যেই গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে, সাধারণ মানুষের কাছে মতামত চাইছেন। এমন একটা ভিডিয়ো তাজমুল হোসেনের নামে তাঁর অনুগামীদের ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাকের বিরুদ্ধেও ফেসবুকে সরব হতে দেখা গিয়েছে। টিকিট পেতে ৩২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করে ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। তবে, তাজমুল হোসেন ফোনে টাকার বিষয়ে কিছু বলতে না চাইলেও তাঁর বক্তব্য, রাতারাতি প্রার্থী কী করে হয়, তা তো সকলেই বুঝতে পারছে। সব মিলিয়ে শোরগোল মালদহজুড়ে।

Follow Us