
সাত বিচারককে হেনস্থার অভিযোগ। এই ঘটনায় মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন মিম নেতা তথা হাইকোর্টের আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম। এবার এই মোফাক্কেরুলের পাশেই দাঁড়ালেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। দুষলের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু কেন? এর পিছনে রাজনীতির অঙ্কই বা কী?
অধীর ঠিক কী বলেছেন?
কংগ্রেস প্রার্থী বলেন, “যে লোক আন্দোলনে লোকজন সামাল দিচ্ছিলেন, তাঁকেই সিআইডি দিয়ে গ্রেফতার করালেন মুখ্যমন্ত্রী।” এখানেই শেষ নয়, বলেন,”সব ধাপ্পাবাজি। যে লোকটা ভিড় সামাচ্ছিল, CID দিয়ে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে বাহাদুরি করা হল। আসল অপরাধীরা কোথায়? যিনি মানুষকে শান্ত করছিলেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হল, মানুষ সবটা বুঝতে পারছে।”
রাজনীতির অঙ্ক কী বলছে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে মিম নেতাকে অধীরের সমর্থন এই প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। এক্ষেত্রেও সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক তত্ত্বই খাড়া করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বস্তুত,গত লোকসভা ভোটের হিসাব বলছে, অধীর চৌধুরী বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের কাছে হারলেও, বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফলে কিন্তু এগিয়ে ছিলেন। আর এই বহরমপুর অধীরের গড় বলা চলে। তবে, এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘুদের তুলনায় হিন্দুদের সংখ্যা বেশি। তাই সেই সংখ্যা লঘু ভোট যাতে কোনওভাবেই তৃণমূলের ঝুলিতে না ঢোকে তারই কি চেষ্টা অধীরের?
এ দিকে, এই ঘটনায়এবার বিস্ফোরক সুজাপুরের মিম প্রার্থী তথা মিমের মালদহ জেলা সভাপতি রেজাউল করিম। তাঁর দাবি, কালিয়াচকের গুন্ডামির ঘটনায় সাবিনা ইয়াসমিনই মাস্টারমাইন্ড। তাঁর কথায়, “নিজের ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থেই সাবিনা ইয়াসমিন চক্রান্ত করেছেন।” শাসকনেত্রীকে গ্রেফতার করার দাবিও তুললেন তিনি।