
মুর্শিদাবাদ: আর শূন্য নয়। অবশেষ ব্যান্ডেড পড়ল সিপিএম-এর (CPM) রক্তক্ষরণে। ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিততে চলেছেন সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (রানা)। বিশাল জয়ের অঙ্কের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করলেন রানা।
কে এই বাম নেতা?
দীর্ঘদিন ধরেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মোস্তাফিজুর। রয়েছে পারিবারিক ব্যবসা। পাশাপাশি শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। SFI করতেন দীর্ঘদিন ধরে। বামেদের একেবারে তরুণ মুখ তিনি। ২০২১ সালেও ডোমকল থেকে লড়াই করেছিলেন মোস্তাফিজুর। তবে সে সময় পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।
কোন অঙ্কে জয়ী সিপিএম? কেন পরাজিত তৃণমূল?
ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের তরফে লড়াই করছিলেন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। এর আগে তিনি ডেবরা থেকে লড়াই করে তৃণমূলের হয়ে বিপুল জয় পেয়েছিলেন। তাঁরই কেন্দ্র বদল করা হয় এবার। পাঠানো হয় ডোমকলে। এ দিকে, মুস্তাফিজুর ডোমকলের ঘরের ছেলে। ‘বহিরাগত’ হুমায়ুন কবীরকে কি মেনে নিতে পারেননি সেখানকার মানুষজন? উঠছে সেই প্রশ্নই।
ডোমকল পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৫০০ পরিবার একযোগে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের পতাকা ছেড়ে হাতে নেন লাল ঝান্ডা। যোগদানের পরই মিষ্টিমুখ। আর তারপর ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শুরু হয় শক্তি প্রদর্শনের মিছিল ও জনসংযোগ। যোগদানকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও একাধিক অভিযোগেই তাঁরা শাসকদল ছেড়েছেন।
তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করে সেই সময়ই তিনি বলেছিলেন, “পিকচার বাকি হ্যায়…।” তিনি এও বলেন, “তৃণমূলের প্রার্থী বহিরাগত। তৃণমূল এখানে কোন জায়গায় যাচ্ছে, তিনি বুঝতে পারবেন না। তবে ডোমকলের মানুষ বুঝবেন। এটা তো ছিল ট্রেলার। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা কর্মী, তাঁদের তৃণমূল মর্যাদা দেয় না।”